মুগদা হাসপাতাল ও মাগুরায় দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান

ইবাংলা.প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক | দুর্নীতি বিরোধী সংবাদ | ১৮ জুলাই ২০২৫ |শুক্রবার, ঢাকা

রাজধানীর মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সেবা প্রদানে হয়রানি, কেনাকাটায় দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ ও নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা থেকে আজ একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়।

Islami Bank

অভিযানকালে হাসপাতালের কেনাকাটা বিষয়ক দরপত্র সংক্রান্ত নথিপত্র সংগ্রহের পাশাপাশি সেবার মান যাচাইয়ে ছদ্মবেশে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে দেখা যায়, সিটি স্ক্যানের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ/সরঞ্জামাদি হাসপাতাল থেকে প্রদান না করে কিছু কর্মচারীর তা রোগীদের কাছে অধিক মূল্যে বিক্রয় করেছে। দুদক টিমের জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্ট টেকনোলজিস্টগণ বিষয়টি স্বীকার করেন।

একইসঙ্গে, হাসপাতাল চত্বরে দালাল ও বহিরাগতদের সক্রিয় উপস্থিতিও পরিলক্ষিত হয়। অভিযানকালে প্রাপ্ত অনিয়মসমূহের বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালককে অবহিত করা হয় এবং কমিশনের পক্ষ থেকে সেবার মানোন্নয়ন ও অনিয়ম রোধে সুপারিশ প্রদান করা হয়।

ক্রয় সংক্রান্ত অনিয়মের বিষয়টি অধিকতর যাচাইয়ের লক্ষ্যে নথিপত্র সংগ্রহ করে অভিযানকারী টিম। সংগৃহীত রেকর্ডপত্র বিশ্লেষণপূর্বক আর্থিক অনিয়ম/দুর্নীতি ও সেবা প্রদানে হয়রানির বিষয়ে কমিশনের পরবর্তী সিদ্ধান্ত চেয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করবে এনফোর্সমেন্ট টিম।

মাগুরা ওজোপাডিকো কার্যালয়ে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানে অতিরিক্ত অর্থ দাবি, গ্রাহকের ব্যবহৃত পরিমাণের অতিরিক্ত ইউনিট দেখিয়ে বিল তৈরি এবং ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতসহ নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঝিনাইদহ হতে অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।

one pherma

আরও পড়ুন…মেজর জেনারেল (অব.) তারিক সিদ্দিকসহ পরিবারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ছদ্মবেশে অভিযানকালে ওজোপাডিকো অফিসের মধ্যে সেবাগ্রহীতা ব্যতীত বহিরাগত লোক ও দালালের বিচরণ পরিলক্ষিত হয়। অভিযানকালে জানা যায় যে, নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রাপ্তির জন্য সার্ভিস চার্জ বাবদ ৩০০০ টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করতে হয়।

এছাড়া গ্রাহককে নিজের টাকায় মিটার ক্রয় করতে হয় যার আনুমানিক মূল্য ৫০০০-৬৫০০ টাকা। টিমের নিকট পরিলক্ষিত হয় যে ওজোপাডিকো অফিসের মধ্যে অবস্থানরত দালালরা গ্রাহকের নিকট হতে এককালীন ১১০০০/১২০০০ টাকা নিয়ে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করে থাকেন।

অভিযানকালে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে প্রাপ্ত অনিয়মসমূহের বিষয়ে কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

ইবাংলা বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us