কাপ্তাই হ্রদের আহরিত মাছ থেকে প্রথমদিনের রাজস্ব আয় সাড়ে ২১ লাখ টাকা

আলমগীর মানিক,রাঙামাটি

দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম হ্রদ হিসেবে পরিচিত রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে দীর্ঘ ৩ মাস ২দিন পর মাছধরা নিষেধাজ্ঞা শেষে আবারও প্রাণফিরেছে এসেছে মৎস্য আহরণ ও বিতরণ কার্যক্রমে।

Islami Bank

রোববার মধ্যরাত থেকে মাছ আহরণ শুরু হলেও সোমবার সকাল থেকে পরবর্তী ১২ ঘন্টায় কাপ্তাই হ্রদ থেকে আহরিত মাছ বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ ঘাট হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার সময় রাজস্ব আদায় হয়েছে প্রায় সাড়ে ২১ লাখ টাকা। গত বছর এইদিনে কাপ্তাই হ্রদ থেকে আহরিত করা হয়েছিলো ৭৪ টন মাছ।

তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে রাঙামাটিস্থ বিএফডিসির কমান্ডার মোঃ ফয়েজ আল করীম জানিয়েছেন প্রথমদিন কাপ্তাই হ্রদ থেকে একশো টনেরও অধিক আহরিত মাছ অবতরণ ঘাটে আনা হয়েছে। আহরিত এই মাছ থেকে বিএফডিসি কর্তৃক প্রায় সাড়ে ২১ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে।

আরও পড়ুন…কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপদসীমায়; ৬ ইঞ্চি খোলা হতেপারে ১৬ জলকপাট

one pherma

কাপ্তাই হ্রদ থেকে রাঙামাটির জুরাছড়ি, বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকলসহ বিভিন্ন উপজেলা হতে ইঞ্জিনচালিত বোটে করে জেলেরা সারি সারি চাপিলা, কাচকি, আইড়, বাইম মাছ, ফলি মাছ সহ নানা জাতের মাছের ড্রাম নিয়ে ভীড় করছে জেলের বোট। আর ব্যবসায়ীরা শুল্ক পরিশোধ করে সেসব মাছ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছাতে বরফ দিয়ে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে তুলছে ট্রাকে। ব্যবসায়ী এবং জেলেদের মাঝে দীর্ঘদিন পর কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

প্রসঙ্গত: প্রতি বছরের ১মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিন মাসের নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞা শেষে লেকে মাছ ধরা শুরু হলেও এই বছর বিএফডিসির প্রস্তুতির জন্য আরও ২দিন বাড়িয়ে ২রা আগস্ট পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বর্ধিত করা হয়।

ইবাংলা বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us