সিকদার গ্রুপ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ২০৭ কোটি টাকার ঋণ ও জালিয়াতির মামলা

ইবাংলা.প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদন | ১৯ আগস্ট ২০২৫

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ১১০ কোটি ২৭ লাখ টাকা ঋণ আত্মসাত ও অর্থ পাচারের অভিযোগে সিকদার গ্রুপ সংশ্লিষ্ট ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

Islami Bank

দুদক সূত্রে জানা যায়, সিকদার গ্রুপের কর্মচারী সৈয়দ কামরুল ইসলাম এস. কিউ ট্রেডিং এন্ড ডেভলপার নামে প্রতিষ্ঠান গড়ে ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে ব্যাংকে একটি হিসাব খোলেন।

পরিচয়দাতা হিসেবে ছিলেন সিকদার গ্রুপের চেয়ারম্যান জয়নুল হক সিকদারের নাতি জন হক সিকদার। হিসাব খোলার পরদিনই ওই প্রতিষ্ঠান ১১০.২৭ কোটি টাকার বিনিয়োগ (ঋণ) অনুমোদনের আবেদন করে।

পরিচালনা পর্ষদের নীতিমালা উপেক্ষা করে, কোনো প্রকল্প পরিদর্শন, জামানত যাচাই বা সক্ষমতা মূল্যায়ন ছাড়াই মাত্র ২০ দিনের মাথায় পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ ঋণ অনুমোদন হয়। ২০১৯ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ১১টি ইন্সট্রুমেন্টের মাধ্যমে পুরো অর্থ বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন…সুযোগ নেই নির্বাচন পেছানোর: আইন উপদেষ্টা

ঋণের অর্থ একই দিনে বিভিন্ন পে-অর্ডারের মাধ্যমে ন্যাশনাল ব্যাংকের হিসাবে স্থানান্তর করে পুনরায় সিকদার পরিবার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়। দুদকের তদন্তে দেখা গেছে, এটি পরিকল্পিত প্রতারণা, জাল-জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাংক তথা রাষ্ট্রের ক্ষতিসাধন।

one pherma

২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সুদসহ এ ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০৭ কোটি ৪২ লাখ ২২ হাজার ৭৬৯ টাকা।

মামলার আসামি:

এ মামলায় সিকদার পরিবারের সদস্য রন হক সিকদার, রিক হক সিকদার, মমতাজুল হক সিকদার, পারভীন হক সিকদার, লিসা ফাতেমা হক সিকদারসহ ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল মালেক, সাবেক পরিচালক ফারজানা পারভীন, আতিকুর নেসা, মোল্লা ফজলে আকবর (অব.) প্রমুখ মোট ২৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আইনি ধারা:

তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯/১২০খ, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ইবাংলা বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us