শুরু থেকেই আলোকসজ্জার উদ্ভাবন লিটার অফ লাইট প্রকল্পে নতুন দিগন্ত

ইবাংলা.প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক | ৮ অক্টোবর ২০২৫

সম্প্রদায়ভিত্তিক উদ্ভাবনী উদ্যোগ ‘লিটার অফ লাইট’ প্রমাণ করছে যে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ও কম খরচের প্রযুক্তি দিয়েই বিশ্বে পরিবর্তন আনা সম্ভব।২০১৫ সালে জায়েদ সাসটেইনেবিলিটি পুরস্কার জয়ের পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশে সম্প্রসারিত হয়েছে।

Islami Bank

তারা স্থানীয় মানুষকে দৈনন্দিন ব্যবহৃত উপকরণ থেকে সৌর আলো তৈরির কৌশল শেখাচ্ছে—যা কেরোসিন ল্যাম্পের বিকল্প, গৃহস্থালির খরচ কমায় এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করে।

আফ্রিকার ভবিষ্যৎ পানির উপর নির্ভরশীল:

আফ্রিকার উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হলো পানিকে অপরিহার্য অবকাঠামো হিসেবে বিবেচনা করা। স্বাস্থ্য, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা—সবকিছুর মূলে রয়েছে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পানির প্রাপ্যতা।
এই বাস্তবতা স্মরণ করিয়ে দেয় কেন জল উদ্ভাবন (Water Innovation) জায়েদ সাসটেইনেবিলিটি পুরস্কারের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।

আরও পড়ুন…শুরু থেকেই আলোকসজ্জার উদ্ভাবন লিটার অফ লাইট প্রকল্পে নতুন দিগন্ত

এআই এনার্জি প্যারাডক্স:

বিশ্বব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি যেমন জ্বালানি চাহিদা বাড়াচ্ছে, তেমনি এটি জ্বালানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
জায়েদ পুরস্কারজয়ী স্নাইডার ইলেকট্রিক দেখিয়েছে, কীভাবে স্মার্ট এনার্জি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে জ্বালানির ক্রমবর্ধমান প্রয়োজনকে টেকসই উন্নয়নের সুযোগে রূপান্তরিত করা যায়।

one pherma

আফ্রিকায় পরিষ্কার জ্বালানি ব্যবহারের সুযোগ সম্প্রসারণ:

পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ইগনাইট পাওয়ার সম্প্রতি এনজি এনার্জি অ্যাক্সেস অধিগ্রহণ সম্পন্ন করেছে, যা আফ্রিকার বৃহত্তম পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি সরবরাহকারী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

বর্তমানে তারা ১২টি দেশে ১ কোটি ৬০ লক্ষেরও বেশি মানুষকে সাশ্রয়ী মূল্যের বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। লক্ষ্য—২০৩০ সালের মধ্যে ১০ কোটি মানুষের কাছে জ্বালানি পৌঁছে দেওয়া।

বিশ্বের জ্বালানি ভবিষ্যৎ কেমন হবে?:

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই জ্বালানির প্রভাব গভীর—গৃহস্থালি বিদ্যুৎ থেকে শুরু করে বৈশ্বিক অর্থনীতি পর্যন্ত।ভয়েসেস অফ সাসটেইনেবিলিটি”-এর ৫২তম পর্বে ইন্ডিপেন্ডেন্ট এনার্জি পলিসি ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান নরেন্দ্র তানেজা বলেন,

শক্তিই জীবন, বেঁচে থাকা এবং ভবিষ্যত।তিনি এক ন্যায়সঙ্গত বৈশ্বিক জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান—যেখানে উদ্ভাবন, অন্তর্ভুক্তি ও সাশ্রয়ী প্রাপ্যতাই হবে উন্নয়নের ভিত্তি।

ইবাংলা বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us