বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করে ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হওয়ার কারণে অবশেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপসকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক ছিলেন।বুধবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য বিএনপি’র ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির অর্থ সম্পাদক কাজী নাজমুল হোসেন তাপসকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় যেকোনো সময় তিনি বহিষ্কার হতে পারেন বলে এলাকায় গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল।
এ বহিষ্কার আদেশে কোন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি তার অনুসারীদের মধ্যে বরং তা নেতা কর্মীরা আরো উজ্জীবিত হয়ে দিনভর ফুটবল মার্কার ”ফুটবল ” নিয়ে ব্যাপক গণ সংযোগ করে ঝড় সৃষ্টি করে তোলেন।
আরও পড়ুন…বিদেশে পাচার করা হয়েছে ১৬ বছর উন্নয়নের নামে জনগণের সম্পদ লুট করে: তারেক রহমান
তবে মঙ্গলবার দেশ রুপান্তরে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে কাজী তাপসকে যখন প্রশ্ন করা হয়েছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় আপনাকে যেকোনো সময় বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে।
এমন প্রশ্নের জবাবে জেলা বিএনপির এই তরুণ নেতা কাজী নাজমুল হোসেন তাপস তখন বলেছিলেন, ‘আপাতত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ছাড়া অন্য কিছুই আর আমি মাথায় নিচ্ছি না। এ মাঠ আমার, এ মাঠে চাষ করে আসছি বহু সময় ধরে,দুঃসময়ে দলের হাল ধরেছি।এখন ফসল তোলার সময় এসেছে।
তাই অন্য কিছু ভাবছি না।সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমার বাবা এ আসনের চার বারের এমপি মরহুম কাজী আনোযার হোসেনের দোয়া ও তার রেখে যাওয়া অগণিত নেতাকর্মী-সমর্থকদের ভালোবাসায় আমার বিজয় এবার শতভাগ সুনিশ্চিত ইনশাল্লাহ।
প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার ইবাংলা অনলাইন ভার্সনে ‘মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নাজমুল’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।


মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.