এবার ইরান থেকে ফাত্তাহ ও খাইবার মিসাইল ছুড়ল

ইবাংলা.প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬ মার্চ ২০২৬

গণহত্যাকারী ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই আগ্রাসন শুরুর পর হাতের মুষ্ঠি ছেড়ে দিয়েছে তেহরানও।

Islami Bank

ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ছে উগ্র ইহুদিবাদী ভূখণ্ড এবং উপসাগরীয় দেশগুলোয় মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করে। এখন পর্যন্ত ইরান একাই ১০টির বেশি দেশের বিরুদ্ধে বীরদর্পে লড়ে যাচ্ছে। এবার তারা নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহার শুরু করেছে বলে ইসলামি প্রজাতন্ত্র জানিয়েছে।

ইরান জানায়, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ২২তম ধাপ শুরু করেছে। খোররামশাহর-৪, খাইবার এবং ফাত্তাহ ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বিশাল বহর নিয়ে মধ্য ইসরাইলে এই হামলা চালানো হয়েছে।

এক ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা প্রকাশ করেছেন যে, ইরান এ পর্যন্ত মূলত এক দশকের পুরনো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে এবং দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য নতুন উন্নত অস্ত্র প্রস্তুত রাখছে।

তাসনিম নিউজ এজেন্সির তথ্যমতে, আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, যুদ্ধের সপ্তম দিন শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে ‘ইয়া হোসেন ইবনে আলী (আ.)’ কোড নামে এ অভিযান শুরু হয়।

আরও পড়ুন…প্রচণ্ড বিস্ফোরণে কাঁপল তেল আবিব

one pherma

বিবৃতিতে বলা হয়, মিনাব স্কুলে ইরানি শিশুদের হত্যাকারী ‘শিশু-হত্যাকারী অপরাধীদের’ প্রতিশোধ নিতে পারস্য উপসাগর থেকে তেল আবিব পর্যন্ত মার্কিন ও উগ্র ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর অবস্থান লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে একটি ছিল অতি-ভারী ‘খোররামশাহর-৪’, যা ২ টন ওজনের একটি ওয়ারহেড বহন করে এবং যার গতিবেগ ১৪ ম্যাক-এরও বেশি। এটি ইরানি জাতির শত্রুদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছে।

পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ও ইহুদিবাদী ঘাঁটি, তেল আবিব, বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর এবং হাইফার সামরিক কেন্দ্রগুলোতে এই নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আঘাত হেনেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘যুদ্ধের সপ্তম দিনে আইআরজিসির ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোর ধারাবাহিকতা থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পূর্ণ সফলতা বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদী অপপ্রচারকারীদের সেই অযৌক্তিক দাবিকে নস্যাৎ করে দিয়েছে, যেখানে তারা ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল হওয়া এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণের হার কমে যাওয়ার দাবি করেছিল।’

ইবাংলা বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us