শিবচরেব্রিজ নির্মাণের ৮ বছর পরও রাস্তা না থাকায় সুবিধা বঞ্চিত এলাকাবাসী

ইবাংলা.প্রেস | মাদারীপুর প্রতিনিধি | ২০ এপ্রিল ২০২৬

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার মাদবের চর ইউনিয়নের ১নাং ওয়ার্ডে মিনা কান্দি এলাকায় ২০১৮ সালে নির্মিতপাশা পাশি দুটি নির্মিত ব্রিজের একটি আট বছর পেরিয়ে গেলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় এখনো কোনো উপকার পাচ্ছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা। ফলে কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প থাকলেও তা বাস্তবে জনগণের কোনো কাজে আসছে না।

Islami Bank

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আট বছর পূর্বে স্থানীয় দুই ইউপি সদস্য দের দ্বন্ডে এবং ক্ষমতার প্রভাবে জনৈক এক মহিলা মেম্বার যুব মহিলা লীগ নেত্রী ও চেয়ারময়ান মাহামুদ চৌধুরী একটি ব্রীজ নির্মান করে সরকারী কোষাগারের প্রায় কোটি টাকা ব্যায়ে, নির্মানাধীন ব্রীজের কাজ শেষ হতে না হতেই ৫০ গজ পূবে আরেক টি ব্রীজ মেম্বার আনোয়ার খান তদবীর করে কাজ করেন এবং ব্রীজ নির্মান ও রাস্তা করে খান বাড়ী মিনা কান্দি এলাকার সংযোগ সড়ক স্হাপন করেন।

কিন্তু নির্মাণের পর থেকে আজ পর্যন্ত একটি ব্রিজের দুই পাশে কোনো রাস্তা তৈরি করা হয়নি। এতে করে ব্রিজটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে আছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, পরিকল্পনার অভাব ও সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতার কারণে ও ক্ষমতার দন্ডে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

ব্রিজ নির্মাণের সময়ই যদি সংযোগ সড়কের বিষয়টি নিশ্চিত করা হতো, তাহলে আজ তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হতো না। এবং একটি ব্রীজ হলে মিল মিমাংশা থাকতো, সরকারের অপচয় হইতো না, ।স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হক বলেন, “ব্রিজ বানানো হলো, কিন্তু রাস্তা নাই।

one pherma

আরও পড়ুন…হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন

ক্ষমতার প্রভাবে একই স্হানে দুটি ব্রীজ নির্মান রাষ্ট্রের অপচয় কোনো ভাবে কাম্য নয়, একনং ওয়ার্ডের মনির মেম্বার বলেন তখন মহিলা মেম্বার ও আনোয়ার খানের ক্ষমতার বলে একটি স্হানে দুটি ব্রীজ সককারের অপচয়, মোটেও কাম্য নয়, রাষ্ট্রের এতো অপচয় মেনে নেয়া যায় না, এর পরও আট বছর নির্মিত ব্রীজের দুই পাশে মাটি দিয়ে রাস্তা নির্মান করলে জনগনের যাতায়াত সুবিধা হতো।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, অল্প কিছু উদ্যোগ নিলেই ব্রিজটি ব্যবহারযোগ্য করা সম্ভব।যথাযথ পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের অভাবে উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।

শিবচরের এই চিত্র উন্নয়ন কার্যক্রমে জবাবদিহিতা ও কার্যকর তদারকির প্রয়োজনীয়তাকেই আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। এধরনের প্রকল্প গ্রহনের আগে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া জরুরি, এবং জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরি বলে মনে করেন সচেতন নাগরিক।

ইবাংলা বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us