ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের বাইরে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস নেতাদের বিক্ষোভ গড়িয়েছে পার্লামেন্ট পর্যন্ত।
নিট বা এনইইটি-ইউজি ২০২৬ প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে অনলাইনভিত্তিক জেন-জি সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এ বিক্ষোভ শুরু করলেও এবার উঠেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগের দাবি। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে পার্লামেন্ট চত্বরে বিক্ষোভ করেন কংগ্রেসের সংসদ সদস্যরা।
আরও পড়ুন…বিশ্বকাপ ফাইনালের পর আর্জেন্টিনাকে ঘিরে রহস্য ও বিতর্ক, সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রশ্ন
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কংগ্রেসের প্রতিনিধিদল কালো পোশাক পরে পার্লামেন্টে হাজির হয়ে ফটকের বাইরে বিক্ষোভ করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে কংগ্রেসের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজন বিরোধী সংসদ সদস্যও যোগ দেন এ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে।
সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যোগ দিতে সমাজবাদী পার্টির (এসপি) সাংসদরাও কালো স্কার্ফ পরেছিলেন। এসপি প্রধান অখিলেশ যাদবও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে কংগ্রেসের বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন। পরে কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে তাকেও আটক করা হয়েছিল।
বিরোধীরা নিট ইস্যু এবং সোমবার রাজধানীতে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের দমন-পীড়ন নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি জানাচ্ছেন। বুধবার পার্লামেন্ট ভবনের ফটকে জড়ো হয়ে সরকার এবং শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন তারা।এনডিটিভি জানিয়েছে, বুধবার বিরোধীরা দাবি করেছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পরই কেবল যেকোনো আলোচনা হতে পারে।
কংগ্রেসের সংসদ সদস্য পবন খেরা বলেন, ‘প্রথমে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে, তারপর আলোচনা হবে। এতগুলো ছাত্রছাত্রীর ওপর লাঠিচার্জের পর এখন কী আলোচনা হবে? ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতেই হবে।
এদিকে বিরোধী দলের দাবি অনুযায়ী সরকার সংসদের উভয় কক্ষে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে। সব দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর কোন নিয়মে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে, তা স্পিকার ঠিক করবেন।


মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.