বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৩য় ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটা থেকে ওই ইউনিটে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তৃতীয় ইউনিট থেকে দৈনিক ২৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ হতো।

Islami Bank

আরও পড়ুন… এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রবিবার

বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিসংলগ্ন এলাকায় তিনটি ইউনিট নিয়ে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। কারিগরি কারণে একটি ইউনিটকে পর্যাক্রমে ওভার হোলিং এ রেখে দুইটি ইউনিট চালু রাখা হয়। বর্তমানে এক ও তিন নম্বর ইউনিট চালু ছিল।

চালু থাকা দুটি ইউনিটের মধ্যে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় তৃতীয় ইউনিটের স্টিম পাইপ ফেটে যায়। এর ফলে ওই ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তৃতীয় ইউনিট থেকে প্রতিদিন ২৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো। আর এই ইউনিট উৎপাদনে রাখতে প্রতিদিন ২ হাজার ৬০০ টন কয়লা ব্যবহার কার হয়।

আরও পড়ুন… গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৯ জনের করোনা শনাক্ত

one pherma

বর্তমানে তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এক নম্বর ইউনিট থেকে ৭০-৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, যা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ওখানে প্রচন্ড গরম থাকায় ঠান্ডা করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঠান্ডা হলেই মেরামত শুরু হবে। এতে একদিন সময় লাগতে পারে।

আরও পড়ুন… টায়ারের গুদামে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে, রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের কেমন ঘাটতি হবে- এমন প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, ২৭৫ মেগাওয়াট সম্পন্ন ইউনিট থেকে প্রতিদিন উৎপাদন হতো উৎপাদন ঘাটতি হবে। এতে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ ঘাটতি হতে পারে।

ইবাংলা/এইচআর/২৯ এপ্রিল ২০২৩

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us