বঙ্গবন্ধু ছিলেন রবীন্দ্র প্রেমিক: ডেপুটি স্পিকার

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন রবীন্দ্র প্রেমিক। বাংলা যতদিন থাকবে, ততদিন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানব হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন। বিশ্ব মানবতা যতদিন থাকবে ততদিন তার প্রয়োজনীয়তা থাকবে।

Islami Bank

সোমবার (৮ মে) সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের রবীন্দ্র কাছারিবাড়ীতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী জন্মোৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বেলুন উড়িয়ে কবিগুরুর অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মেরিনা জাহান কবিতা।

আরও পড়ুন>> রিজার্ভ ৭ বছরে সর্বনিম্ম

ডেপুটি স্পিকার বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার দার্শনিক গুরু বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকর্ম চর্চার মাধ্যমে নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন। তিনি ছিলেন রবীন্দ্র প্রেমিক। রবীন্দ্র চর্চার মাধ্যমে তিনি হয়েছেন বঙ্গবন্ধু। রবীন্দ্র প্রত্যাশার বাস্তব অনুশীলনের মাধ্যমে জাতির পিতা হয়েছেন বিশ্ব রাজনীতির কবি।

মো. শামসুল হক টুকু বলেন, সাহিত্যের সব শাখায় কবিগুরুর সফল পদচারণা ছিল। তাকে শুধু সাহিত্যিক পরিচয়ে আবদ্ধ রাখা যাবে না, তিনি ছিলেন সমাজ সংস্কারক। তার সাহিত্যকর্ম মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদকে কুঠারাঘাত করেছে। তিনি মৌলবাদী ও জঙ্গিবাদীদের নিকট আতঙ্ক। জাতির পিতা রবীন্দ্র দর্শন চর্চা ও অনুশীলন করে আপাদমস্তক অসাম্প্রদায়িক বিশ্বনেতায় পরিণত হয়েছেন। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে কবিগুরুর সাহিত্যকর্ম ও দর্শনকে সবসময় চর্চা করতে হবে। রবীন্দ্রনাথ কোনো দেশ বা জাতির সম্পদ নয়। তার সাহিত্যকর্ম বিশ্বের সব দেশ ও জাতির জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। তিনি বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত।

one pherma

অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র স্মৃতি বিজড়িত শাহজাদপুরে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকর্মগুলো স্মরণ করা হয়। দলীয় সংগীত ও দলীয় নৃত্য, কবিতা আবৃতি পরিবেশন করা হয়। এছাড়া অতিথিবৃন্দকে উত্তরীয় পড়িয়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন>> জিপিতে রিচার্জ বন্ধ থাকবে ৬ ঘণ্টা

সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কে এম হোসেন আলী হাসান, শাহজাদপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি চয়ন ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল হামিদ লাবলু, উপজেলা চেয়ারম্যান আজাদুর রহমান, পুলিশ সুপার মো. আরিফুর রহমান মণ্ডল, পৌর মেয়র মনির আক্তার হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) লিয়াকত সালমানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ইবাংলা/এসআরএস

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us