ওয়ানডে মেজাজে শান্তর দারুণ সেঞ্চুরি

শুরু থেকেই ব্যাট করছিলেন ওয়ানডে মেজাজে। ফিফটির দেখা পেয়েছেন ৫৮ বলে। তারপর হয়েছেন আরও ক্ষীপ্র। তাতে ১১৮ বলেই সেঞ্চুরি পেয়ে যান নাজমুল হোসেন শান্ত। আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন অঙ্কের রান স্পর্শ করে দু বছর পর তিনি শতকের দেখা পেলেন।

Islami Bank

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুর দিকে জাকির আউট হলে ওপেনার জয়কে নিয়েই দলের হাল ধরেন শান্ত। ম্যাচটিতে তিনি ১১৮ বলে তুলে নেন সেঞ্চুরি। শতরান তুলতে ১৮টি চারের মার হাঁকিয়েছেন শান্ত। এছাড়া ১০২ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়।

আরও পড়ুন>> শান্তর ফিফটি, এক’শ ছাড়াল বাংলাদেশ

আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন অঙ্কের রান স্পর্শ করে দু বছর পর তিনি শতকের দেখা পেলেন।

সবশেষ সেঞ্চুরিটি করেছিলেন ২০২১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে তিনি ১০৯ বলে পেয়েছিলেন এই মাইলফলকের দেখা। সেটা ছিল তার দ্রুততম টেস্ট শতক। আজও সেই মেজাজেই ব্যাট করেছিলেন।

one pherma

তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৮টি চার। ছিল না কোনো ছক্কা। ওপেনিংয়ে নামা জাকির হাসান দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই আউট হয়ে যান। তারপর শান্ত দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন মাহমুদুল হাসান জয়কে নিয়ে। জয় আবার শুরু থেকেই টেস্ট মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন। ১০২ বলে পেয়েছেন ফিফটির দেখা।

জয়ের ফিফটিটাও ছিল চোখে পড়ার মতো। তিন রান নিতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ডাবলের বেশি নেওয়ার সুযোগ হয়নি। ফিল্ডার থ্রো করেছিলেন, কিন্তু বোলার সেটা ধরতে পারেননি। সীমানার কাছাকাছি থেকে ফিল্ডার ফিরিয়ে দেওয়ার আগে একটি রান নেন। কিন্তু এবারও উইকেট কিপার ধরতে পারেননি। আরও একটি রান নেন জয়। তাতে ৪৮ থেকে স্কোরবোর্ডে জয়ের রান দাঁড়ায় ৫৩।

জয় তার কাঙ্খিত মাইলফলকের দেখা পান যখন, তখন স্কোরবোর্ডে শান্তর রান ছিল ৯৮। সেঞ্চুরি থেকে তিনি ছিলেন মাত্র ২ রান দূরে। তারপর আরও কিছু সময় নেন শান্ত। অবশেষে ৩৮তম ওভারের প্রথম বলে পেয়ে যান তৃতীয় শতকের দেখা।

ইবাংলা/এসআরএস 

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us