দুদকের তিন জেলায় অভিযান: রাঙ্গামাটি, বাগেরহাট ও রাজবাড়িতে অনিয়ম ও ঘুস দমন

ইবাংলা.প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদন | ১৩ আগস্ট ২০২৫

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এনফোর্সমেন্ট ইউনিট আজ, ১২ আগস্ট ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে তিনটি পৃথক অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাঙ্গামাটি, বাগেরহাট ও রাজবাড়ি জেলায় ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানের লক্ষ্য ছিল সরকারি প্রকল্প ও সেবা প্রদান ক্ষেত্রে অনিয়ম, ঘুস ও হয়রানি প্রতিরোধ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

Islami Bank

অভিযান ০১: রাঙ্গামাটি জেলার এলজিইডি
রাঙ্গামাটির স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-তে কাপ্তাই-কারিগরপাড়া-বিলাইছড়ি রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযোগে বলা হয়, প্রকল্পে কমিশন বাণিজ্য, টেন্ডার জালিয়াতি এবং ভুয়া বিল উত্তোলনের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে।

দুদক টিম কার্যক্রমের অংশ হিসেবে:

এলজিইডি, রাঙ্গামাটির দপ্তর থেকে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সকল রেকর্ডপত্র সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করেন।

নিরপেক্ষ প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে সরেজমিনে রাস্তা পরিদর্শন করা হয়।

পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় রেকর্ড ও প্রকৌশলীর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কমিশন বরাবর বিস্তারিত রিপোর্ট দাখিল করা হবে।

আরও পড়ুন…বাংলাদেশ সফরে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী সপ্তাহে

অভিযান ০২: বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবায় নানাবিধ হয়রানি এবং অনিয়মের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের কার্যক্রম ছিল:

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরেজমিন পরিদর্শন।

রোগীদের প্রদত্ত ওষুধ ও খাবারের মান পর্যবেক্ষণ।

সেবাপ্রার্থীদের বক্তব্য গ্রহণ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং উপস্থিত চিকিৎসকদের বক্তব্য গ্রহণ।

one pherma

সেবার মানোন্নয়নে পরামর্শ প্রদান।

এই অভিযানের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দুদক কমিশনকে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

অভিযান ০৩: রাজবাড়ি জেলার বালিয়াকান্দি সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়
বালিয়াকান্দি সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে দলিল রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে ঘুস দাবি এবং হয়রানির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের মধ্যে ছিল:

ছদ্মবেশে দলিল লেখকদের কাছ থেকে জমি রেজিস্ট্রেশনের অতিরিক্ত খরচের তথ্য সংগ্রহ।

সেবা গ্রহণকারী গ্রাহকদের সঙ্গে আলাপ করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়টি যাচাই।

সরকার নির্ধারিত ফি সিটিজেন চার্টারে প্রদর্শিত রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করা।

অন্যান্য সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে হয়রানি ও ঘুস দাবির তথ্য সংগ্রহ।

সাব-রেজিস্ট্রারকে গ্রাহক হয়রানি সংক্রান্ত বিষয় অবহিত করা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ।

এই অভিযানের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কমিশনকে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

ইবাংলা বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us