সামিট গ্রুপ ও সাবেক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা
ইবাংলা.প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৬ আগস্ট ২০২৫
সামিট গ্রুপ ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মামলার অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন—দুদকের উপপরিচালক মো. আলমগীর হোসেন (দলনেতা), সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জিন্নাতুল ইসলাম, মো. নাছরুল্লাহ হোসাইন, পুলিশ পরিদর্শক মো. সোহেল রানা (সিআইডি), উপ-পরিদর্শক খালিদ সাইফুল্লাহ (সিআইডি), কর পরিদর্শক মো. আবির হোসেন চাকলাদার এবং সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. গোলাম মোস্তফা।
মামলায় আসামি করা হয়েছে সাবেক বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ, সাবেক কমিশনার মো. আমিনুল হক বাবু, শেখ রিয়াজ আহমেদ, ড. মুশফিক মান্নান চৌধুরী, মো. দেলোয়ার হোসাইন, সামিট কমিউনিকেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফরিদ খান এবং খন্দকার রেজা-ই-রাকিবসহ কয়েকজনকে।
আরও পড়ুন…বুয়েট শিক্ষার্থীদের ব্লকেড শাহবাগে ৩ দাবিতে
অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেআইনিভাবে শেয়ার হস্তান্তরের অনুমোদন দেন এবং সরকারের প্রায় ১০ কোটি ২৪ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় না করে আত্মসাৎ করেন।
এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
এছাড়া, যমুনা অয়েল কোম্পানির সাবেক কর্মকর্তা মো. আবদুল্লাহ রশিদের বিরুদ্ধে সম্পদ গোপন, জ্ঞাত আয়ের বাইরে বিপুল সম্পদ অর্জন এবং প্রায় ২২ কোটি ৭১ লাখ টাকার বেশি অর্থ মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুদক।
দুদক জানায়, আসামিরা দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ক্ষতি সাধন করেছেন। মামলাগুলোতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে।


মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.