অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকসহ আটজন এবং ব্যবসায়ী মোতাজ্জেরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ইবাংলা.প্রেস │নিজস্ব প্রতিবেদক │১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকসহ আটজনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একইসঙ্গে ব্যবসায়ী মো: মোতাজ্জেরুল ইসলাম (মিঠু)-এর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত প্রায় ৭৫ কোটি ৮০ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক আরেকটি মামলা রুজুর অনুমোদন দিয়েছে সংস্থাটি।

Islami Bank

বিচারপতি মানিকসহ অন্যদের মামলা:

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক অসাধু উপায়ে মোট ৫ কোটি ৩৯ লাখ ৬৬ হাজার ৮২০ টাকা জ্ঞাত আয়ের বাইরের সম্পদ অর্জন ও বিদেশে পাচার করেছেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজুর সিদ্ধান্ত হয়।

এছাড়া রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকসহ আরও ছয়জন সাবেক রাজউক কর্মকর্তা ও একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হবে।

আরও পড়ুন…জাকসু ভোটযজ্ঞ; বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ

অভিযুক্তরা হলেন:
১. বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক
২. মিসেস কাশমিরি কামাল
৩. প্রকৌশলী মো: নুরুল হুদা, সাবেক চেয়ারম্যান, রাজউক
৪. মো: আবু বক্কার সিকদার, সাবেক সদস্য (অর্থ), রাজউক
৫. এম মাহবুবুল আলম, সাবেক যুগ্ম সচিব ও সদস্য (উন্নয়ন), রাজউক
৬. জি এম জয়নাল আবেদীন ভুইয়া, সাবেক চেয়ারম্যান, রাজউক
৭. আব্দুল হাই, সাবেক সদস্য, রাজউক

one pherma

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রতারণা ও যোগসাজশের মাধ্যমে মিথ্যা হলফনামা দাখিল করে পূর্বাচল প্রকল্পের ১৬ নম্বর সেক্টরের ০৩৬ নম্বর প্লট অবৈধভাবে বরাদ্দ ও হস্তান্তর করা হয়েছে। এ মামলায় দণ্ডবিধি ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় মামলা হবে।

ব্যবসায়ী মোতাজ্জেরুল ইসলামের মামলা:

এদিকে, দুদকের অপর একটি তদন্তে ব্যবসায়ী মো: মোতাজ্জেরুল ইসলাম (মিঠু) অবৈধভাবে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ৭৫ কোটি ৮০ লাখ ৭৭ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বিভিন্ন সময়ে জমি, প্লট, ফ্ল্যাট, বাড়ি, ব্যাংক স্থিতি, শেয়ার, গাড়ি, স্বর্ণালংকারসহ বিপুল সম্পদ গোপনে অর্জন করেন, যা বৈধ আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় মামলা রুজুর অনুমোদন দিয়েছে দুদক।ঘটনার সময়কাল হিসেবে ১৯৯৬ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময়ে এই সম্পদ অর্জন করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

ইবাংলা বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us