পবিত্র জুমার দিনের ফজিলত ও করণীয়

মতিন সাগর

ইসলামে শুক্রবার সপ্তাহের সেরা ও পবিত্রতম দিন। হাদিসে এসেছে- “জুমা দিনই হলো সাপ্তাহিক ঈদ।” এ দিনে মুমিন মুসলমানদের জন্য রয়েছে বিশেষ আমল ও ফজিলত। তাই দিনটিকে গুরুত্বসহকারে পালন করা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব।

Islami Bank

প্রথম করণীয় হলো গোসল ও পরিচ্ছন্নতা। জুমার নামাজের আগে গোসল করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক পরা এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা সুন্নত। এটি মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সৌন্দর্যবোধ জাগিয়ে তোলে।

দ্বিতীয় করণীয় হলো জুমার নামাজে অংশগ্রহণ। এ নামাজ মসজিদে জামাতে আদায় করা ফরজ। যত আগে মসজিদে যাওয়া যায়, ততই সওয়াব বৃদ্ধি পায়। খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা ওয়াজিব, খুতবার সময় কথা বলা বা অমনোযোগী হওয়া নিষিদ্ধ।

তৃতীয় করণীয় হলো কোরআন তিলাওয়াত। বিশেষ করে সূরা কাহফ পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম। হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি সূরা কাহফ পাঠ করবে, তার জন্য এক সপ্তাহ আলোকিত থাকবে।চতুর্থ করণীয় হলো বেশি বেশি দরুদ পাঠ। জুমার দিনে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন…বিশ্ব পর্যটন দিবসে জাতিসংঘ মহাসচিবের বার্তা

one pherma

পঞ্চম করণীয় হলো দোয়া ও ইস্তেগফার। শুক্রবারে একটি বিশেষ সময় রয়েছে, যখন বান্দার দোয়া অবশ্যই কবুল হয়। অনেক আলেমের মতে, এটি আসরের পর থেকে মাগরিবের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত।

এ সময়ে বেশি বেশি দোয়া করা উচিত।অন্য একটি করণীয় হলো কবর জিয়ারত। সাহাবি ও তাবেয়িনদের মধ্যে অনেকে শুক্রবারে কবর জিয়ারত করতেন এবং মাগফিরাতের জন্য দোয়া করতেন।

শুক্রবার ছুটির দিন মনে করে, ঘুম আর ভালোমন্দ খাওয়ার দিন না, শুক্রবার আত্মিক ও সামাজিক শুদ্ধতার দিন। এ দিনে গোসল, পরিচ্ছন্নতা, কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ, দোয়া এবং জুমার নামাজের মাধ্যমে একজন মুসলমান তার ঈমানকে দৃঢ় ও আলোকিত করতে পারে। তাই আসুন, আমরা সবাই পবিত্র জুমার দিনকে যথাযথ মর্যাদা দেই এবং আমল করে জীবনের সফলতা অর্জন করি।

ইবাংলা বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us