বিশ্বব্যাংকের প্রধান নির্বাহী অজয় বাঙ্গার বক্তব্যে স্মার্ট উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি
ইবাংলা.প্রেস | ইস্রাফিল হাওলাদার | ১৭ অক্টোবর ২০২৫
বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক বৈঠকে বিশ্ব অর্থনীতি ও উন্নয়ন কৌশল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা। তিনি বলেন, বিশ্ব এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে ফলাফল ও প্রভাব — এই দুটি শব্দই হবে উন্নয়নের মাপকাঠি।
বাঙ্গা জানান, স্মার্ট ডেভেলপমেন্ট এখন শুধু প্রযুক্তি নির্ভর নয়; এটি একটি সমন্বিত ধারণা, যেখানে উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন, এবং পরিবেশবান্ধব প্রবৃদ্ধি একসাথে কাজ করবে। উদ্যোগ ও কৌশলগুলোর লক্ষ্য হবে এমন উন্নয়ন নিশ্চিত করা যা টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ভবিষ্যতপ্রজন্মবান্ধব।
তিনি আরও বলেন, কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে চাকরি সৃষ্টির সম্ভাবনাময় পাঁচটি খাতের ওপর — কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবা। এ খাতগুলোতে সঠিক বিনিয়োগ ও নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করতে পারলে কোটি মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।
চাকরি সৃষ্টিতে তিন স্তরের কৌশল নিয়ে বাঙ্গা বলেন, প্রথমত, দক্ষতা বিকাশে বিনিয়োগ; দ্বিতীয়ত, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগে অর্থায়ন বৃদ্ধি; এবং তৃতীয়ত, প্রযুক্তি ও অবকাঠামোতে অংশীদারিত্ব।
আরও পড়ুন…আজ নতুন বাংলাদেশের সূচনা হলো: প্রধান উপদেষ্টা
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিশ্বব্যাংক নিজস্ব সংস্কার প্রক্রিয়ায় গতি এনেছে যাতে অর্থায়ন, ঋণ সহায়তা এবং প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা যায়। এতে করে উন্নয়নশীল দেশগুলো আরও কার্যকরভাবে তাদের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারবে।
জনসংখ্যা ও কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ নিয়ে তিনি বলেন, “বিশ্বের তরুণ প্রজন্ম বিশাল এক সম্পদ। যদি আমরা তাদের যথাযথ শিক্ষা ও দক্ষতার সুযোগ দিতে পারি, তবে তারা অর্থনীতির চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে।
শেষবার্তায় বাঙ্গা বলেন, “ফলাফলই এখন উন্নয়নের আসল পরিমাপ। আমাদের কাজ হবে শুধু বিনিয়োগ নয়, বরং এমন পরিবর্তন আনা যা মানুষের জীবনে বাস্তব প্রভাব ফেলে।


মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.