গাজায় নতুন করে সহিংসতা, যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের তৎপরতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ইবাংলা.প্রেস | মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

গাজায় আবারও ইসরায়েলি হামলায় অন্তত চারজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে হামাসের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তির স্থায়িত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতেরা সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন।

Islami Bank

আরও পড়ুন…হংকংয়ে রানওয়ে থেকে ছিটকে সাগরে পড়ল বিমান

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানায়, গাজার পূর্বাঞ্চলের তুফাহ এলাকার আল-শাফ মহল্লায় ইসরায়েলি বাহিনীর দুটি বিমান হামলায় চারজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। স্থানীয় ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স সংস্থা জানায়, নিহতরা যুদ্ধবিরতির পর নিজেদের ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়িঘর দেখতে গিয়েছিলেন, তখনই ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে প্রাণ হারান তারা।

অন্যদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, গাজার শুজাইয়া এলাকায় ‘হলুদ সীমারেখা’ (Yellow Line) অতিক্রম করে কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি তাদের দিকে অগ্রসর হচ্ছিলেন। তারা সেনাদের জন্য “হুমকি” তৈরি করেছিল, তাই আত্মরক্ষার্থে গুলি চালানো হয় বলে জানায় সেনাবাহিনী।

এই ‘হলুদ সীমারেখা’ নির্ধারণ করা হয়েছিল গত ৪ অক্টোবর, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশিত এক মানচিত্রে। যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলি বাহিনী রেখাটির পেছনে অবস্থান নেওয়ার কথা থাকলেও স্থানীয়দের দাবি, বাস্তবে সেই রেখার কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন নেই।

গাজার স্থানীয় বাসিন্দা সামির (৫০) বলেন, “পুরো এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে। আমরা মানচিত্রে রেখা দেখেছি, কিন্তু বাস্তবে সেটি কোথায় বোঝা যায় না।”

one pherma

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও একাধিকবার গাজায় হামলা, গোলাগুলি ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। গাজা কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে অন্তত ৯৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

তবে দুই পক্ষই একে অপরকে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত করছে। গাজার স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত রোববার ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৪২ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন শিশু রয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক দল দুই পক্ষের সঙ্গেই আলোচনা করছে বলে ওয়াশিংটন সূত্রে জানা গেছে।

সম্পাদনা: আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সূত্র: আলজাজিরা, রয়টার্স, বিবিসি

ইবাংলা.প্রেস/ বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us