জাতিসংঘের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ পালিত হচ্ছে ‘জাতিসংঘ দিবস ২০২৫’। এবারের দিবসের মূল বার্তায় শান্তি, মানবাধিকার, টেকসই উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক ঐক্যের প্রতিশ্রুতি নতুন করে তুলে ধরা হয়েছে।
আমরা জাতিসংঘের জনগণ — এটি শুধু জাতিসংঘ সনদের সূচনা বাক্য নয়, বরং এটি মানবতার পরিচয় বহন করে। জাতিসংঘকে কেবল একটি প্রতিষ্ঠান নয়, বরং একটি জীবন্ত প্রতিশ্রুতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়, যা সীমানা অতিক্রম করে মহাদেশগুলিকে সংযুক্ত করে এবং প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে।
আরও পড়ুন…আরও বাড়াল সরকার শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ভাতা
গত আশি বছর ধরে, জাতিসংঘ বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা, দারিদ্র্য ও ক্ষুধা মোকাবিলা, মানবাধিকার রক্ষা এবং টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তবে, চলমান বিশ্বে জাতিসংঘ নতুন এক বাস্তবতার মুখোমুখি। বর্ধমান সংঘাত, জলবায়ু সংকট, প্রযুক্তির অপ্রতিরোধ্য গতি এবং বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের ওপর আস্থাহীনতা— এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় নতুনভাবে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।এখন ভীরুতা বা পিছু হটার সময় নয়। বরং, বিশ্বকে একসাথে হয়ে এমন সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে, যা কোনো দেশ একা করতে পারে না।
জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে মহাসচিব দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তারা যেন বৈশ্বিক ঐক্যের চেতনাকে বাস্তবে রূপ দেয়।চলুন, ‘আমরা জনগণ—এই অঙ্গীকারের মাধ্যমে বিশ্বকে দেখাই, এক হয়ে কাজ করলে কী অসাধারণ পরিবর্তন সম্ভব।


মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.