ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে চূড়ান্ত লড়াইয়ে রয়ে গেলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজমুল

মো.রুবেল ভূইয়া

বিএনপি থেকে বহিষ্কারের হুমকিসহ নানা প্রলোভনেও শেষ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে মনোনয়ন বঞ্চিত বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপস তাঁর প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেননি।

Islami Bank

মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করে চূড়ান্ত নির্বাচনী লড়াইয়ে রয়েই গেলেন তিনি (কাজী তাপস)।

ফলে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী নবীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মান্নানের পাশাপাশি বিদ্রোহী প্রার্থী (স্বতন্ত্র) জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক কাজী নাজমুল হোসেন তাপসও একইসঙ্গে লড়ে নির্বাচনী করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক কেন্দ্রীয় নেতা রাতে বলেন, ‘কাজী তাপসকে বারবার বলার পরও তিনি তার মনোনয়নপত্রটি আজও প্রত্যাহার করেননি।এটি তিনি ঠিক করেননি। তাই তার বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপস রাতে বলেন, ‘আমার মরহুম বাবা কাজী আনোয়ার হোসেন এ আসনে চারবার এমপি ছিলেন। বাবার রেখে যাওয়া বিএনপির অগণিত নেতাকর্মী সমর্থকদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে আমি নির্বাচনে অবতীর্ণ হয়েছি।

বিগত নির্বাচনে মাঠ তৈরি করা আছে আমার আমি কল্পনাও করিনি দল আমার সাথে অবিচার করবে! দলের কান্ডারী হয়ে দুরদিনে দিনরাত এলাকায় চষে বেড়িয়েছি,হামলা মামলা উপেক্ষা করে মাঠে থেকেছি, তবুও বুঝতে চাইলো না।

one pherma

আরও পড়ুন…বিকল্প দল নেবে আইসিসি ভারতে বাংলাদেশ না খেললে

যাক তাতে আফসোস নেই, একদিন (নির্বাচনের পরে দিন) ঠিকই বুঝতে পারার কথা, আমার দৃঢ় বিশ্বাস বিএনপির নেতাকর্মী আমার এলাকার সমর্থকেরা আমার সঙ্গেই আছেন।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় আপনাকে নাকি বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হবে, তখন কি করবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক তরুণ এই প্রার্থী কাজী তাপস বলেন, ‘আপাতত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ছাড়া অন্য কিছু আর মাথায় নিচ্ছি না। কারণ, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে, বাবার দোয়া আর মানুষের ভালোবাসায় আমার বিজয় শতভাগ সুনিশ্চিত ইনশাল্লাহ।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে এ আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবদুল বাতেন ও গণফ্রেন্টর প্রার্থী নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।

ফলে বিএনপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বিএনপির বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থীসহ মোট ৮ জন প্রার্থী এ আসনে নির্বাচনের চূড়ান্ত লড়াইয়ে রয়ে গেলেন মাঠে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৫ নবীনগর আলোচিত এবং বড় একটি আসন। তবে এখানে ৩ স্তরেই লড়াই হতে পারে পারে বলে মন্তব্য করেন কেউ কেউ।

ইবাংলা বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us