মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় একসময় বিক্ষাত ছিলো তাল ও খেজুরের গুড়, ১৮ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার বিভিন্ন সড়কে, চাষী জমিতে ও বাড়ীর চারপাশে রোপন করা হতো তাল গাছ ও খেজুর গাছ, এসকল গাছেই বর্ষার আগমনের পূর্বে বাসা বাধতো গাছে, দেশের ইটের ভাটায় লাকরি ব্যবহারের কারনে তাল ও খেজুরের লাকরি দামে কম, জ্বলে বেশী বিধায় খেজুর গাছ ও তাল গাছ কেটে লাকরি হিসেবে ব্যবহার করায় তাল ও খেজুর গাছ বিলুপ্তির পথে বিধায় গাছে গাছে বাবুই পাখির বাসা তেমন চখে পরছে না, বর্ষার আগমনী বার্তা নিয়ে প্রকৃতিতে নেমে এসেছে সজীবতার ছোঁয়া। আর এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গ্রামবাংলার আকাশ-বাতাসে স্বল্প পরিমানে দেখা যাচ্ছে পরিচিত এক দৃশ্য—বায়ুই পাখির (বাবুই পাখি) ব্যস্ততা।
তাল গাছের ডালে ঝুলছে তাদের নিপুণ হাতে তৈরি বাসা, এ যেন প্রকৃতির এক অনন্য শিল্পকর্ম।
বিশেষ করে খেজুর, ও তাল গাছে বায়ুই পাখির আনাগোনা বেড়েছে চোখে পড়ার মতো। পুরুষ বায়ুই পাখিরা শুকনো ঘাস, পাতা ও তন্তু সংগ্রহ করে বাসা তৈরি করছে, আর স্ত্রী পাখির মন জয় করাই যেন তাদের মূল লক্ষ্য। সুন্দর ও মজবুত বাসা বানাতে পারলেই সঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করা হয় তাদের।
শিবচরের গুয়াতলায় লিনা খান অবাক দৃশ্টিতে তাল গাছের দিকে তাকিয়ে বাবুই পাখির বাসা দেখছেন তার নিকট প্রশ্ন করলে তিনি জানান, বর্ষা আসার আগে থেকেই এই পাখিদের এমন কর্মচাঞ্চল্য দেখা যায়। অনেকেই মনে করেন, বায়ুই পাখির বাসা বাঁধা প্রকৃতির এক পূর্বাভাস—বর্ষা খুব কাছেই।
আরও পড়ুন…চুক্তি না মানলে ইরানে আরও ভয়াবহ ও শক্তিশালী গোলাবর্ষণ শুরু হবে: ট্রাম্প
পাখি বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বায়ুই পাখির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তবে গাছপালা কমে যাওয়া এবং পরিবেশ দূষণের কারণে এদের সংখ্যা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে। তাই এই পাখিদের আবাসস্থল রক্ষা করা জরুরি।
প্রকৃতির এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য গ্রামবাংলার সৌন্দর্যকে আরও সমৃদ্ধ করে তুলছে। বায়ুই পাখির বাসা বাঁধা যেন শুধু একটি প্রাকৃতিক ঘটনা নয়, বরং বর্ষার আগমনের এক জীবন্ত প্রতীক।
অপরিকল্পিত ইট ভাটায় লাকড়ি পোড়ানো বন্ধ না করলে তালগাছ ও খেজুর গাছি জ্নলবে ইট ভাটায়, পরিবেশ দূষন হয়ে বিলুপ্ত হবে বাবুই পাখি সহ সকল পাখির আনাগোনা,
স্হানীয় দের মতে প্রশাসন এখন থেকে পদক্ষেপ না নিলে অসাধু ইট ভাটার মালিক দের কারনে বিলুপ্তি হবেপাখিদের আবাস স্থল নষ্ট হবে গ্রাম বাংলার মনোমুগ্ধকর পরিবেশ।


মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.