ঢাকার আরও ৫০ মোড়ে বসছে এআই ট্রাফিক সিগন্যাল

ইবাংলা.প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৩ আগস্ট ২০২৬

রাজধানী ঢাকার যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে এআই প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। প্রাথমিকভাবে ডিএসসিসির আওতাধীন আটটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এ ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Islami Bank

এছাড়া, ঢাকা মহানগরের আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এ ধরনের আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) শাহবাগ মোড়ে এআই সিগন্যাল ব্যবস্থার পরীক্ষামূলক উদ্বোধন শেষে এ কথা জানান ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।

তিনি জানান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় নতুন এই সিগন্যাল ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার মাধ্যমে যানবাহন চলাচলকে আরও নিয়মতান্ত্রিক ও গতিশীল করা।

আরও পড়ুন…হামে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

প্রাথমিকভাবে যে আটটি মোড়ে আধুনিক সিগন্যাল ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে সেগুলো হলো- বাংলা মোটর, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, মিন্টো রোড, কাকরাইল সার্কেল, মৎস্য ভবন, কদম ফোয়ারা, শিক্ষা ভবন ও শাহবাগ মোড়।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আধুনিক এই সিগন্যাল ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হলে মোড়গুলোতে ট্রাফিক পুলিশকে আগের মতো সার্বক্ষণিক দাঁড়িয়ে হাতে সংকেত দিতে হবে না।

one pherma

এতে একদিকে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে, অন্যদিকে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাস্তায় দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করা ট্রাফিক পুলিশের পেশাগত কষ্টও কমবে।

তিনি জানান, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ঢাকা মহানগরের আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এ ধরনের আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিএসসিসির আওতাধীন আরও ২২টি মোড়ে এই সিগন্যাল চালু করা হবে।

তবে শুধু প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু করলেই যানজট পুরোপুরি নিরসন সম্ভব নয় উল্লেখ করে চালক ও পথচারীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং নাগরিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন ডিএসসিসি প্রশাসক।

আবদুস সালাম বলেন, সিগন্যাল অমান্য, নির্দিষ্ট লেন ব্যবহার না করা, জেব্রা ক্রসিংয়ে নিয়ম না মানা এবং মোড়ে অবৈধভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি মোড় এলাকায় ভাসমান দোকান বা অন্য কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা রাখা যাবে না।

ডিএসসিসি প্রশাসক আরও বলেন, ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে মামলা ও জরিমানা করা হবে। বারবার কেউ আইন অমান্য করলে তার ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল এবং গাড়ির কাগজপত্র জব্দের মতো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইবাংলা বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us