গত ৪ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ জহির উদ্দিন স্বপন এমপির সরকারি বাসভবনে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন বায়োফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. লকিয়ত উল্লাহ।সাক্ষাৎকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বায়োফার্মা লিমিটেডের হেড অব ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ডেভেলপমেন্ট আলা উদ্দিন খান আকাশ।
এ সময় ডা. লকিয়ত উল্লাহ বায়োফার্মা লিমিটেডের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপনকে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
আরও পড়ুন…জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭ বাংলাদেশির পরিচয় জানা গেল
একই সঙ্গে দেশ ও জাতির কল্যাণে তাঁর অব্যাহত অবদান এবং দায়িত্ব পালনে সাফল্য কামনা করেন।সাক্ষাতের অংশ হিসেবে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং বায়োফার্মা লিমিটেডের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা স্মারক (ক্রেস্ট অব অনার) প্রদান করা হয়।
সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের বর্তমান অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় ওষুধের রপ্তানি সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে বায়োফার্মা লিমিটেডের অবস্থান সুদৃঢ় করা, নতুন বাজারে প্রবেশ, বৈশ্বিক ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশের মানসম্মত ওষুধকে বিশ্ববাজারে আরও পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় ডা. লকিয়ত উল্লাহ প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা, আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের কৌশল এবং দেশের ওষুধ রপ্তানি খাতে আরও কার্যকর অবদান রাখার লক্ষ্যে গৃহীত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন বায়োফার্মা লিমিটেডের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। পাশাপাশি এ খাতের উন্নয়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট পর্যায় থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সহায়তা প্রদানের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন।প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার মূল্যবান সময়, আন্তরিক সৌজন্য ও গঠনমূলক মতামতের জন্য বায়োফার্মা লিমিটেডের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটি মনে করে, সরকারের নীতিগত সহযোগিতা, শিল্পখাতের দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং বেসরকারি খাতের উদ্ভাবনী উদ্যোগের সমন্বয়ে বাংলাদেশের ওষুধশিল্প আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
বিশেষ করে এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের পর দেশের শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে যেসব নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা অনুযায়ী, এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে দেশের ওষুধশিল্প। এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখা, নতুন বাজার সৃষ্টি এবং রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও নীতিগত সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
পরিশেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপনের বুদ্ধিদীপ্ত চিন্তা চেতনার প্রশংসা করে তার সফল নেতৃত্বে সরকারের কার্যক্রমের গতিশীলতা আরো বাড়বে বলে বায়োফার্মার এমডি ডা. লকিয়ত উল্লাহ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।