ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানের সাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ বা কৌশলগত সহযোগিতার বিষয়ে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আসবে বলে আশা করছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে ইসরায়েলের বেসরকারি গণমাধ্যম টাইমস অফ ইসরায়েল এক প্রতিবেদনে জানায়, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা সংলাপ চলছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা যে অবস্থান নেবে, সেটি পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামোকে প্রভাবিত করবে।”
ইসরাইলি গণমাধ্যম আরো জানায়, হোয়াইট হাউস থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি না এলেও, পেন্টাগনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে যে তারা সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা জোট, যৌথ বিমান হামলা পরিকল্পনা ও সাইবার অপারেশনের বিষয়গুলো মূল্যায়ন করছে। মার্কিন কংগ্রেসের কিছু রিপাবলিকান সদস্য ইতোমধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে “ত্বরিত সামরিক জবাব” দাবি করেছেন।
ইসরাইলে অন্য এক গণমাধ্যম জানায়, ইসরায়েল ইতোমধ্যেই তার উত্তর এবং দক্ষিণ সীমান্তে উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে এবং রিজার্ভ সেনা মোতায়েনের মাত্রা বৃদ্ধি করেছে। প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ জানায়, “যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত যাই হোক, ইসরায়েল জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”
এ ব্যাপারে জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন সংঘাত নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানালেও, যুদ্ধ পরিস্থিতি দ্রুত বাড়ছে। রাশিয়া ও চীন ইতোমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
ইরান ইসরাইল হামলা-পাল্টাহামলারপরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল ও সংবেদনশীল। ইসরায়েলের ধারণা অনুযায়ী, পরবর্তী ২৪–৪৮ ঘণ্টা মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের দিকেই এখন বিশ্ববাসীর দৃষ্টি।