ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে সহিংসতার শিকারদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে দেওয়া বার্তায় জাতিসংঘের মহাসচিব গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “বিশ্বজুড়ে মানুষ এখনও বিশ্বাসের কারণে নির্যাতন, হামলা এমনকি হত্যার শিকার হচ্ছে। উপাসনালয় ভাঙচুর, সম্প্রদায়কে আতঙ্কিত করা এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ঘৃণার বিস্তার মানবতার জন্য হুমকি।”
আরও পড়ুন…সিকদার গ্রুপ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ২০৭ কোটি টাকার ঋণ ও জালিয়াতির মামলা
মহাসচিব জোর দিয়ে বলেন, বৈষম্যবিরোধী আইন প্রয়োগ, শিক্ষা ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তি ও মানবাধিকার চর্চা, নেতৃত্বের মধ্যে সংলাপ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ঘৃণাবিরোধী সুরক্ষা জোরদার করাই এখন জরুরি।
তিনি যোগ করেন, “এই দিনে আমরা ভুক্তভোগীদের স্মরণ করছি এবং প্রতিজ্ঞা করছি— বৈচিত্র্যকে উদযাপন করে এমন একটি পৃথিবী গড়ে তুলব, যেখানে সবাই মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে।”
করণীয় হিসেবে তিনটি দিক তুলে ধরেন তিনি—
১. সরকারকে বৈষম্যবিরোধী শক্তিশালী আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় সম্মান, অন্তর্ভুক্তি ও মানবাধিকারের চর্চা বাড়াতে হবে।
২. রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃত্বকে বিভাজনের রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করে আন্তঃসম্প্রদায়িক সংলাপকে উৎসাহিত করতে হবে।
৩. ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে ঘৃণার প্রচারণার হাতিয়ার না হয়ে সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।
মহাসচিব আরও বলেন, “এই আন্তর্জাতিক দিনে আমরা ভুক্তভোগীদের স্মরণ করছি এবং প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি— বৈচিত্র্যকে উদযাপন করে এমন একটি বিশ্ব গড়ে তুলব যেখানে প্রত্যেকে নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে পারবে।”
ইবাংলা বাএ