দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসারে, সাবেক আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হকের এপিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করা জনাব মো: রাশেদুল কাওসার ভূইয়া (জীবন) সম্প্রতি কসবা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিশনের অনুসন্ধান অনুযায়ী, তার স্থাবর সম্পদ ২,৬১,৫৯,৩৩৩/- টাকা এবং অস্থাবর সম্পদ ৫২,৫৮,৫২৬/- টাকাসহ মোট ৩,১৪,১৭,৮৫৯/- (প্রায় তিন কোটি চৌদ্দ লক্ষ) টাকা।
তবে বৈধ আয় হিসাব অনুযায়ী তার সম্পদের পরিমাণ মাত্র ৮৩,২০,১০৬/- (প্রায় ৮৩ লক্ষ) টাকা। ফলে, ২,৩০,৯৭,৭৫৩/- (দুই কোটি ত্রিশ লক্ষ সাতানব্বই হাজার সাতশত তিপ্পান) টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন…ভয়াবহ আগুন মহাখালীর সাততলা বস্তিতে
দুদক জানিয়েছে, এ সম্পদ অর্জনের প্রক্রিয়ায় জনাব কাওসার ভূইয়া তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। কমিশন এ ধারা অনুযায়ী মামলা রুজুর অনুমোদন দিয়েছে।
এছাড়া, তার স্ত্রী মোসা: লুৎফুন নাহারের নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ এবং ব্যাংক হিসাবেও অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের 2b(3) ধারা অনুযায়ী তার সম্পদের বিস্তারিত বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কমিশন আরও জানিয়েছে, এই ধরনের সম্পদ অর্জন ও লেনদেনের তথ্যের যথাযথ যাচাই-বাছাই চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।