দুদক আইন, ২০০৪ অনুযায়ী প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে জনাব গাজী মোঃ মোজাম্মেল হক, অতিরিক্ত ডিআইজি, এন্টি টেররিজম ইউনিট (পিতা- মোঃ সফর আলী, মাতা- যালেমা খাতুন, গ্রাম- হরিপুর, শিবনগর, উপজেলা- মেঘনা, জেলা- কুমিল্লা, বর্তমান ঠিকানা- প্রিন্টার্স বিল্ডিং, মতিঝিল, ঢাকা) এবং তার স্ত্রী জনাবা ফারজানা মোজাম্মেল এর নামে অর্জিত সম্পদ, আয় ও ব্যয়ের বিষয়ক অনুসন্ধান পরিচালিত হয়।
অনুসন্ধানকালে সংগৃহীত তথ্য ও রেকর্ডপত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়:
১। জনাব গাজী মোঃ মোজাম্মেল হক:
তিনি ১৭তম বিসিএস পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়ে ২২/০২/১৯৯৮ তারিখে বাংলাদেশ পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন। বিভিন্ন সময়ে পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে এন্টি টেররিজম ইউনিটে কর্মরত আছেন।
আরও পড়ুন…স্থানীয়দের হামলায় চবির ৩০ শিক্ষার্থী আহত
অর্জিত সম্পদের পরিমাণ: ২২,৯৬,৪১,৯৭৫/- টাকা
পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়: ৪,৫২,৭০,৪০৭/- টাকা
ব্যয়সহ মোট সম্পদ: ২৯,৮৮,৮২,৩৮২/- টাকা
বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয়: ১৫,৮০,১৮,৩১৩/- টাকা
জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ: ১১,৬৮,৯৪,০৬৯/- টাকা
অর্থাৎ তার নামে বৈধ আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ১১ কোটি ৬৮ লাখ ৯৪ হাজার ৬৯ টাকা মূল্যের সম্পদের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়।
২। জনাবা ফারজানা মোজাম্মেল:
তিনি ব্যবসায়ী এবং আয়কর দাতা (TIN-873944479636)।
অর্জিত সম্পদের পরিমাণ: ৫,৫৮,১৮,০২৬/- টাকা
পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়: ২,৭৩,১৫,৮৬২/- টাকা
ব্যয়সহ মোট সম্পদ: ৮,৩১,৩৩,৮৮৮/- টাকা
বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয়: ৫,৪৫,৯০,৯০৩/- টাকা
জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ: ২,৮৫,৪২,৯৮৫/- টাকা
অতএব, তার নামে বৈধ আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ২ কোটি ৮৫ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৫ টাকা মূল্যের সম্পদের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে দেখা যায়, জনাব গাজী মোঃ মোজাম্মেল হক ও তার স্ত্রী জনাবা ফারজানা মোজাম্মেল এর নামে মোট প্রায় ১৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের প্রমাণ পাওয়া গেছে।