জিতলেই স্বপ্নের ফাইনাল। এমন লক্ষ্যে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। অধিনায়কে এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্দেহ থাকলেও তা যে সঠিক ছিল তা ২২ গজে প্রমাণ করেন তাসকিন, মেহেদি, রিশাদরা।
স্পিন ঘূর্ণির সঙ্গে পেস তোপে পাকিস্তানকে বড় সংগ্রহ থেকে ঠেকিয়ে রাখতে সক্ষম হয় টাইগার বোলাররা। তবে জয়ের জন্য এখন ব্যাটারদের দেখাতে হবে তাদের খেলা। ফাইনালে যেতে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ১৩৬ রান।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হয় বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়।টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা পাকিস্তানকে শুরু থেকেই চেপে ধরে বাংলাদেশ।
প্রথম দুই ওভারে দুই উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে চাপে ফেলেন তাসকিন ও শেখ মেহেদি। সেই ধাক্কা সামাল দেয়ার আগে ৫০ রানে আরও ৩ উইকেট হারায় ম্যান ইন গ্রিনরা।
আরও পড়ুন…ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক ভারতের মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
শেষ দিকে হারিসের ২৩ বলে ৩১, শাহিন আফ্রিদির ১৩ বলে ১৯ ও নওয়াজের ১৫ বলে দ্রুতগতির ২৫ রানের কল্যাণে ৮ উইকেটে ১৩৫ রানে থামে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন ৩টি, শেখ মেহেদি ও রিশাদ ২টি করে উইকেট লাভ করেন।
এদিকে ইনজুরি আক্রান্ত হওয়ায় আজও একাদশে নেই নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস। তাই টস করেছেন জাকের আলী। এছাড়াও একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন পেস অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিন আহমেদ, ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। তাদের পরিবর্তে দলে ঢুকেছেন স্পিনিং অলরাউন্ডার শেখ মেহেদি, পেসার তাসকিন আহমেদ ও পেসার তানজিম হাসান সাকিব।
পরিসংখ্যানের দিক থেকে পাকিস্তানের বিপক্ষে পিছিয়ে বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত ২৫ টি টোয়েন্টি খেলায় মাত্র ৫ বার জয় পেয়েছে টাইগাররা। এশিয়া কাপে ১৫ দেখায় জয়ের সংখ্যা মাত্র ২। তবে সাম্প্রতিক রেকর্ড বেশ ইতিবাচক।
২০২৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সব ফরম্যাট মিলিয়ে ৮ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল, যেখানে জয়-হার সমান ৪টি করে। এর মধ্যে আছে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় ও টেস্টে হোয়াইটওয়াশ।