দুদকের সারাদেশে অভিযান: অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ

ইবাংলা.প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক | ৫ অক্টোবর ২০২৫

সারাদেশে দুদকের অভিযান: প্রকল্পে অর্থ আত্মসাৎ, স্ক্র্যাপ পাচার, স্বাস্থ্যখাতে অনিয়ম ও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ তদন্তদুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) সারাদেশে পৃথক চারটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করেছে।

কাবিখা-কাবিটা প্রকল্প থেকে অর্থ আত্মসাৎ, রেলওয়ের শতকোটি টাকার স্ক্র্যাপ পাচার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবায় অনিয়ম এবং বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান ০১ (মাদারীপুর):
মাদারীপুর সদর উপজেলায় কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ এবং এডিপি প্রকল্পের অর্থায়নে ব্যক্তিস্বার্থে কালভার্ট নির্মাণের অভিযোগে অভিযান চালায় দুদক। সরেজমিনে দেখা যায়, ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত কালভার্টটি কেবলমাত্র একজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়ির যাতায়াতের সুবিধার্থে নির্মিত হয়েছে, যা কোনো জনস্বার্থে ব্যবহৃত হচ্ছে না। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।

অভিযান ০২ (চট্টগ্রাম):
চট্টগ্রাম রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের শতকোটি টাকার পুরাতন মালামাল ও স্ক্র্যাপ সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে পাচারের অভিযোগে অভিযান চালায় দুদক। দপ্তর থেকে বিভিন্ন রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হয় এনফোর্সমেন্ট টিম।

 

অভিযান ০৩ (০৩, দিনাজপুর):
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবায় অনিয়ম ও রোগী হয়রানির অভিযোগে অভিযান চালানো হয়। তদন্তে দেখা যায়, পর্যাপ্ত চিকিৎসক উপস্থিত না থাকায় রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এবং রোগীদের খাবার সরবরাহে নানা অনিয়ম রয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এসব অনিয়মের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

অভিযান ০৪ (ঢাকা):
খুলনা ও রাজশাহী নগরে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নামে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে অভিযান পরিচালিত হয়।

প্রাথমিক পর্যালোচনায় অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।সব অভিযানে সংগৃহীত তথ্য, প্রমাণাদি ও রেকর্ডপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এনফোর্সমেন্ট টিম পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কমিশন বরাবর দাখিল করবে বলে জানিয়েছে দুদক।

ইবাংলা বাএ

অনিয়ম ওদুর্নীতিরপ্রমাণ