দুদকের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থপাচার মামলা

ইবাংলা.প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক | ৮ অক্টোবর ২০২৫

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিং (অবৈধ অর্থ স্থানান্তর) অভিযোগে চারজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা রুজুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

১️দিলীপ কুমার আগারওয়ালা

চুয়াডাঙ্গার ব্যবসায়ী দিলীপ কুমার আগারওয়ালা, পিতা-অমিয় কুমার আগারওয়ালা, মাতা-তারা দেবী আগারওয়ালা, বর্তমান ঠিকানা—বনানী, ঢাকা।তিনি ১১২ কোটি ৪৭ লাখ ২৮ হাজার ৪০৭ টাকার জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।এছাড়া তার নামে থাকা ৩৪টি ব্যাংক হিসাবে ৭৫৫ কোটি ৩০ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন পাওয়া গেছে।

আইনি ধারা:
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা এবং
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা অনুযায়ী মামলা রুজু হয়েছে।

২️সবিতা আগারওয়ালা

দিলীপ কুমার আগারওয়ালার স্ত্রী সবিতা আগারওয়ালার বিরুদ্ধে ৪৫ কোটি ৭০ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসবিহীন সম্পদ ও ৮টি ব্যাংক হিসাবে ২১৩ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন…ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক পরিদর্শনে ২ ঘণ্টায় গাড়ি এগিয়েছে ৪০ মিটার, বিপাকে উপদেষ্টা,সহ সাধারণ যাএীরা

আইনি ধারা:
দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭(১) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩)।

৩️মো. এনামুল হক খান

ঢাকার ধানমন্ডির বাসিন্দা মো. এনামুল হক খান—তার বিরুদ্ধে ২ কোটি ৪৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ এবং ১২টি ব্যাংক হিসাবে ১৪৪ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

আইনি ধারা:
দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩)।

৪️শারমিন খান

এনামুল হক খানের স্ত্রী শারমিন খান—তার বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ ও ৭টি ব্যাংক হিসাবে ৫ কোটি ২২ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে মামলা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ইবাংলা বাএ

অর্থপাচারবিরুদ্ধেমামলা