পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে দায়িত্বশীল ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

ইবাংলা.প্রেস | আইয়ুব মিয়া | ১০ অক্টোবর ২০২৫

যোগাযোগের ক্ষেত্রে ডাক বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ডিজিটাল পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে দায়িত্বশীল ও নিষ্ঠার সাথে সবাইকে কাজ করতে হবে— এমন আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ান হাসান।

আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক বিভাগের সভাকক্ষে বিশ্ব ডাক দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সমাপনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, “জিপিও ঢাকার ঐতিহ্যের অংশ। জিপিওকে কেন্দ্র করে সরকার কাজ করছে। আধুনিক, সাম্য ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ডাক কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের নানা বৈষম্য দূরীকরণের কাজ চলছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমান জিপিও ভবনের জায়গায় সচিবালয় সম্প্রসারণের বিষয়ে যে সংশয় ছিল তা দূর হয়েছে। জিপিও ভবনের ঐতিহ্য রক্ষায় সেখানে একটি পোস্টাল মিউজিয়াম স্থাপন করা হবে।

আরও পড়ুন…জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হুমকির মুখে আর্কটিক সীল, বিশ্বব্যাপী পাখির সংখ্যা কমে যাচ্ছে – IUCN রেড লিস্ট

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, “ঠিকানা ব্যবস্থাপনা বা অ্যাড্রেস ম্যানেজমেন্টকে ডিজিটাল করার কাজ চলছে। এতে এরিয়া কোড, স্ট্রিট কোড ও হাউজ কোড একত্রিত করা হবে এবং জিও ফেন্সিং যুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডাক ও কুরিয়ার আইন হালনাগাদের কাজও চলছে।”

তিনি আরও জানান, বর্তমানে মেইল ও পার্সেল ট্র্যাকিং সিস্টেমে ৫০–৬০ শতাংশ ট্র্যাকিং সম্ভব হচ্ছে। এই সিস্টেমের মানোন্নয়নের মাধ্যমে তা শতভাগে উন্নীত করার প্রক্রিয়া চলছে।

এছাড়া ই-কমার্সের সঙ্গে ডাক বিভাগকে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে শহর ও গ্রামের মধ্যে সেবার বৈষম্য দূর করা যায়।অনুষ্ঠানে শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পাশাপাশি ডাক বিভাগের শ্রেষ্ঠ কর্মচারীদের পুরস্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান। উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এস এম শাহাবুদ্দিন, মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর, সংস্থার প্রধান, বিভাগের কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

ইবাংলা বাএ

করতেকাজচেষ্টা করতে হবেনিষ্ঠারসাথে