বিশ্ব শহর দিবস ২০২৫ উপলক্ষে এ বছরের প্রতিপাদ্য— “ডিজিটাল উদ্ভাবনে টেকসই শহর গঠন”। বর্তমান বিশ্বের দ্রুত নগরায়ণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন শহরজীবনকে নতুন রূপ দিচ্ছে।
প্রযুক্তির ব্যবহার যেমন প্রাথমিক সতর্কতা ব্যবস্থা, ভূ-স্থানিক মানচিত্রন ও নাগরিক অংশগ্রহণমূলক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে, তেমনি এসব উদ্ভাবন শহরগুলোকে আরও নিরাপদ, স্থিতিশীল ও পরিবেশবান্ধব করে তুলতে সহায়তা করছে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি যেন কেবল সুবিধাভোগীদের জন্য নয়— বরং প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্যও সমান সুযোগ নিশ্চিত করে।
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে আবাসন সংকট ও অনানুষ্ঠানিক বসতির বৃদ্ধি কোটি কোটি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয় থেকে বঞ্চিত করছে।জাতিসংঘের বার্তায় বলা হয়েছে, “একটি সত্যিকারের স্মার্ট শহর হলো যেখানে মানুষকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়— বিশেষ করে নারী, যুবক, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী নাগরিকদের।
আরও পড়ুন…টাঙ্গাইল ও নোয়াখালীতে দুদকের দুটি পৃথক অভিযান
এই বিশ্ব শহর দিবসে আহ্বান জানানো হয়েছে, স্থানীয় ও জাতীয় সরকারগুলো যেন নাগরিকদের সঙ্গে অংশীদারিত্বে কাজ করে টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সবুজ নগর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলে।
শহর হলো সুযোগের ইঞ্জিন। আর যখন মানুষ থাকে নগর পরিকল্পনার কেন্দ্রে, তখন ডিজিটাল উদ্ভাবনই পারে সমতা ও স্থায়িত্বের পথে এগিয়ে নিতে পৃথিবীর প্রতিটি শহরকে।