ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী স্থপতি আবদুল আউয়াল বলেছেন, ‘গত ১৬ বছর আওয়ামী লীগ সরকার গণতন্ত্রকে চেপে ধরে রেখেছে। জনগণের ভোটের অধিকার, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও বিরোধী দলের রাজনীতি করার অধিকার আজ হুমকির মুখে।’
তিনি বলেন, ‘এখন পদধারী মানুষের মূল্য আছে, কিন্তু দলের নিবেদিত কর্মীরা অবমূল্যায়িত। অথচ প্রকৃত শক্তি হলো তৃণমূলের কর্মীরা। তবে মাঠের নিবেদিত কর্মীদের ও যেনো মূল্যায়ন করা হয়।
সুদীর্ঘ সময় ধরে দলের কান্ডারী হয়ে কাজ করে আসছি, বিএনপির একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে আজীবন কাজ করে যেতে আমার কোন আপওি থাকবে না। তবদির করে পদ নেয়ার আগ্রহ কম। দল যদি গুরুত্ব বুঝে মুল্যায়ন করে মাথা পেতে নেবো।
তবে এবার যদি আমি মূল্যায়িত হই, তাহলে এই নবীনগরের তৃণমূল বিএনপি কর্মীরাও মূল্যায়িত হবে”। আমি চাই জন্মভুমি নবীনগর উপজেলা কে আরো আধুনিকায়ন করে সাজাতে। এযাবৎ এমপি বা জনপ্রতিনিধি না হয়েও এলাকার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ঘাট করে দেয়া সহ নানাবিধ সমস্যার সমাধান করেছি।
আমি প্রচার প্রচারণা বিমুখ। কাজ করি এলাকার মানুষের উপকারের জন্য। তবে একটা প্ল্যাটফর্মে আসতে পারলে কাজের গতি বেড়ে যায়। আপনাদের সকলের আন্তরিক সহযোগিতা তোর দোয়া প্রত্যাশা করি নিরন্তর।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে নবীনগর উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের নবীপুর বাজারে লিফলেট বিতরণ ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্থপতি আবদুল আউয়াল আরও বলেন, ‘বিএনপি যখন রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পাবে, তখন দেশ নেতা তারেক রহমানের নির্দেশে ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনা হবে।
তিনি সকল নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনগণকে ধানের শীষে ভোট দিতে আহ্বান জানান। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তৃণমূলের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
পশ্চিম ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি আমির হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন শাহাজাহান কবির, ফারুক আহমেদ, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, আনোয়ার আমিন, লিটন মেম্বার ও গোলাম স্বাধীনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তিনি ইতিমধ্যে ব্যাপক জনসংযোগ করে আলোচনায় রয়েছেন।