সময় এসেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ ( নবীনগর) সংসদীয় আসনের প্রার্থী পুনর্মূল্যায়নের

জ. ই বুলবুল

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন কৃতী, মেধাবী ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তা হিসেবে মেজর জেনারেল (অব.) মো. কামরুজ্জামান দেশের প্রতিরক্ষা অঙ্গনে এক উজ্জ্বল নাম। তাঁর জীবন ও কর্মপথ সাফল্য, সাহস ও নিষ্ঠায় ভরপুর।

কিন্তু বিগত সরকারের অন্যায় আচরণ ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তাঁর সেনাপ্রধান হওয়ার স্বপ্ন ভেঙে যায় তাসের ঘরের মতো। সেই দুঃসময়ে তাঁর প্রিয় মা, রত্নগর্ভা ফরিদা জামান, ছেলের ওপর চালানো ভয়াবহ নির্যাতনের খবর শুনে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে পরপারে পাড়ি জমান।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকে জীবনের সকল স্বপ্ন, পরিশ্রম ও আশা যেন লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। মিথ্যা সাজানো নাটকের মাধ্যমে তাঁর সম্মান ও কর্মজীবন নষ্ট করা হয়। নিঃসন্দেহে তিনি ও তাঁর পরিবার বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অন্যতম বড় ভুক্তভোগী।

আজ যখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের প্রার্থী পুনর্মূল্যায়নের সময় এসেছে, তখন আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি—

যোগ্যতা, সততা ও দেশপ্রেমের বিচারে মেজর জেনারেল (অব.) মো. কামরুজ্জামানই ধানের শীষের যোগ্য প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। স্বয়ং জিয়াউর রহমান যার কর্মগুণ এবং নিষ্ঠার কারণে “ব্ল্যাক ডায়মন্ড” উপাধি দিয়েছিলো তাকেই।

এলাকায় ঘুরে এসে সুশীল সমাজের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেলো। এলাকাবাসী আরো বলেন,আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ সংসদীয় আসনের ধানের শীষের যোগ্য প্রতিনিধি মনে করি।

আমাদের দাবি স্পষ্ট —
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে আমরা দেখতে চাই মেধা, যোগ্যতা ও দেশপ্রেমের অনন্য প্রতীক মেজর জেনারেল (অব.) মো. কামরুজ্জামানকে।

উল্লেখ, তার রত্নগর্ভা পরিবারে রয়েছেন পুলিশের ডিআইজি মনিরুজ্জামান,তার সহধর্মিনীও ডিআইজি, তার ছোট ভাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বর্তমান মেজর জেনারেল সাদেকুজ্জান,সহ আরো অনেক সরকারের সুউচ্চ পর্যায়ে পদ পদবিতে রয়েছেন।

মনোনয়ন প্রত্যাশী মেজর জেনারেল কামরুজ্জামান( অব.) একজন বিনয়ী সদালাপী সর্বোপরি বহু প্রতিভার অধিকারী। নবীনগর আমজনতা প্রত্যাশা করেন উনার মত ব্যক্তি সংসদে আসলে এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন সহ মন্ত্রী পর্যায়ে অবস্থান থাকবে।

ইবাংলা বাএ

আসনেরতিন আসনের উপনির্বাচনেপুনর্মূল্যায়নের