২০২৬ সালের জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন COP31 নিয়ে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার অবসান ঘটেছে। তুরস্ক ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সমঝোতায় এবার প্রথমবারের মতো বিভক্ত-আয়োজন পদ্ধতিতে শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
শুক্রবার COP30 সম্মেলনে প্রকাশিত একটি আনুষ্ঠানিক নথিতে নিশ্চিত করা হয়েছে—
COP31-এর স্বাগতিক দেশ হবে তুরস্ক
আলোচনা ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দেবে অস্ট্রেলিয়া
এই সিদ্ধান্তটি আসে পশ্চিম ইউরোপীয় ও অন্যান্য গোষ্ঠীর (WEOG) বৈঠকের পর, যেখানে জার্মানি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করে।
দীর্ঘ প্রতিদ্বন্দ্বিতার অবসান:
জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনের স্বাগতিক নির্বাচনে গত এক বছর ধরে তুরস্ক ও অস্ট্রেলিয়া উভয়েই প্রার্থী ছিল। রাজনৈতিক মতবিরোধ ও কূটনৈতিক জটিলতায় সিদ্ধান্ত আটকে ছিল। শেষ পর্যন্ত উভয় দেশ যৌথ নেতৃত্বে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে।
আরও পড়ুন…দুদকের টার্গেটে হিরু ও সাবেক সচিব পরিবারের তিন সদস্য
বিবৃতিতে বলা হয়েছে:
তুরস্ক ও অস্ট্রেলিয়ার মাঝে কোনো মতপার্থক্য দেখা দিলে তা পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আলোচনা চলবে।
প্রাক-COP হবে প্রশান্ত মহাসাগরে:
COP31-এর আগে একটি প্রাক-COP মিটিং অনুষ্ঠিত হবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কোনো দ্বীপ রাষ্ট্রে। এখানে বছরের এজেন্ডা, আলোচ্য বিষয়, ও কৌশলগত অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে অস্ট্রেলিয়া।
বৈশ্বিক জলবায়ু কূটনীতিতে নতুন অধ্যায়:
এই বিভক্ত আয়োজনকে আন্তর্জাতিক কূটনীতির একটি অভিনব মডেল হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভৌগোলিক দূরত্ব সত্ত্বেও দুই দেশ জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় যৌথভাবে নেতৃত্ব দেবে—এটি বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনায় নতুন গতির সঞ্চার করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।