বিশ্ব ফুসফুস দিবস-২০২৫ পালন উপলক্ষে বৈজ্ঞানিক অধিবেশনটি মহাখালীর জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল অডিটোরিয়াম অনুষ্ঠিত হয়।বুধবার সকালে’ দ্যা চেস্ট এন্ড হার্ট এসোসিয়েশন উপলক্ষে এই বৈজ্ঞানিক অধিবেশন টি জাঁকজমক ভাবে করা হয়। অনুষ্ঠানটি শুরুতে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে বিশ্ব সিওপিডি দিবস- ২০২৫ এর শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন প্রধান অতিথি।
ডা. সাখাওয়াত হোসাইনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন দ্যা চেস্ট এন্ড হার্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর কার্যকরী পরিষদের সদস্য ডা. মোঃ জিয়াউল করিম।
এসোসিয়েশনের মহাসচিব, ডা. গোলাম সারওয়ার লিয়াকত হোসেন ভূঞা ওএসোসিয়েশনের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ জহিরুল ইসলাম শাকিল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী, প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন, সিওপিডি’র লক্ষণ ও শুরুতেই দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, শুরুতেই চিকিৎসা ও সচেতন হলে ভবিষ্যতে এই দেশকে সিওপিডি রোগীর চিকিৎসার জন্য নিরাপদ বলে মনে করতে হবে । এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ডা. মোঃ সোহাইল মাহমুদ আরাফাত, ও জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোঃ দেলোয়ার হোসেন, তিনি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, সিও ডিপি দিবস উপলক্ষে এসোসিয়েষন কর্তৃক এ সকল কার্যক্রম গুলো দেশের রোগী সাধারণ ও জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধিতে অনেক বেশি অবদান রাখবে।
সাইন্টিফিক পেপার উপস্থাপন করেন ডা. মো. মাহবুব ইসলাম, সমাপনী বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডা.শামীম আহমেদ, দিবসের তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্য রাখেন এরিস্টোফার্মা লিমিটেডের সিনিয়রম্যানেজার সেলস মো.আবু জাহিদ সিদ্দিকী সহ আরো অনেকে।
এসোসিয়েশন কর্তৃক হাতে নেওয়া এই সকল কার্যক্রমগুলো দেশের সিওপিডির রোগী ও সাধারন জনগনের সচেতনতা বৃদ্ধিতে অনেক বেশি কাজে আসবে এবং সারাদেশের সকল বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞদের ওপর আজকের বৈজ্ঞানিক তথ্য উপস্থাপন তার বিশেষ প্রভাব পরবে।
এসোসিয়েশনের সম্মানীত সভাপতি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের শুরুতেই আমন্ত্রিত অতিথি, উপস্থিত সকল বক্ষব্যাদি বিশেষজ্ঞ ও বিশ্ব
সিওপিডি দিবস- ২০২৫ এর আয়োজনে সহযোগীতার পেছনের সকল কারিগরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
দেশের সিওপিডি, রোগীদের বিরাট অংশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ্যভাবে ধূমপানের শিকার এই জনগোষ্ঠীকে যদি নিয়মিত এইসব দিবসের মাধ্যমে সচেতন করা যায় এবং পাশাপাশি সারাদেশের প্রতিটি হাসপাতালের রেসপিরেটরী মেডিসিন বিভাগে আমাদের বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞরা অবাদে কাজ করতে পারে তবে আগামীর বাংলাদেশ হবে সিওপিডি রোগীর জন্য অত্যন্ত নিরাপদ জায়গা।
পরিশেষে বক্ষব্যাধির সাথে জরিত দেশ-বিদেশের সকল সংগঠনের কাছে দেশের সিওপিডির রোগী ও বক্ষব্যাদি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের স্বার্থ রক্ষায় এক হয়ে কাজ করার জন্য সকলের সহযোগিতাও কামনা করেন।