অগ্নিকাণ্ডে অসহায় রাশিদার পাশে দাড়াঁলেন নজরুল ইসলাম নজু

জ ই বুলবুল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বাঙ্গরা পশ্চিম পাড়ায় মৃত বাদল মিয়ার স্ত্রী রাশিদা বেগম (৪৫) এর বসতঘরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর তার পাশে দাড়ালেন সৌদি আরবের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৫ (নবীনগর) আসন থেকে গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম নজু।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে বাঙ্গরা পশ্চিম পাড়ায় তিনি সরেজমিনে অসহায় রাশিদা বেগমের অগ্নিকাণ্ডে বিধ্বস্ত বসতঘরটি দেখতে আসেন এবং তার পরিবারের খোঁজ খবর নেন।

নজরুল ইসলাম নজু নতুন ঘর নির্মাণ কাজের জন্য রাশিদা বেগমের হাতে তাৎক্ষণিক নগদ এক লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করেন। এসময় বাঙ্গরা গ্রামের স্থানীয় বহু গণমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

নিজের চরম দুর্দিনে নগদ এক লক্ষ টাকা অনুদান পেয়ে অসহায় রাশিদা বেগম তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমার বসতবিটা, নগদ অর্থসহ আমার ঘরের সকল আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

ঘরের সাথে সাথে আমার কপাঁলও পুড়েছে। আজকে নজু ভাই আমাকে যে সাহায্য করেছেন, তা আমি কোনদিন ভুলবো না। আল্লাহ যাতে তার (নজরুল ইসলাম নজু’র) মনের সকল আশা পূরণ করে দেন।

এব্যাপারে নজরুল ইসলাম নজু বলেন, গত পড়শু দিন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বাঙ্গরা গ্রামের অসহায় রাশিদা বেগমের বসতঘরটি আসবাবপত্র সহ পুড়ে যাওয়ার খবরটি (সাংবাদিক কাউছার আলমের মাধ্যমে) জানতে পেরে এখানে আমি সরেজমিনে আসার সিদ্ধান্ত নেই।

আজকে এখানে এসে এমন মর্মান্তিক দৃশ্য দেখে আমার নিজেরও খুব খারাপ লাগছে। আল্লাহ যাতে আমাদের সবাইকে এমন বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করেন।

আরও পড়ুন…ঢাকায় ফের শুরু ভারতীয় ভিসা সেন্টারের কার্যক্রম

এসময় তিনি অসহায় এই পরিবারটির নতুন ঘর নির্মাণের জন্য নগদ এক লক্ষ টাকা প্রদান করেন। পাশাপাশি তিনি সারাজীবন মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুর ২ টার দিকে বাঙ্গরা পশ্চিম পাড়ার মৃত বাদল মিয়ার স্ত্রী রাশিদা বেগম এর বসতঘরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এসময় রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে দ্রুত পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও ততক্ষণে পুরো বসত ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এদিকে রাশিদা বেগমের স্বামী কয়েক বছর পূর্বে মারা যাওয়ার পর স্থানীয় বিভিন্ন মানুষের সহযোগিতায় চারটি সন্তান নিয়ে এই ঘরে বসবাস করে আসছিলো। ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে তার বসতঘর, নগদ অর্থসহ ঘরের পুরো আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

বন্ধুরা, গত পড়শু দিন যখন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার খবরটি আমি পাই, তাৎক্ষণিকভাবে দ্রুত আমি ঘটনা স্থলে ছুটে যাই এবং লাইভ, নিউজ ও ফেসবুক পোস্ট এর মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডসহ অসহায় রাশিদা বেগমের অসহায়ত্বের চিত্র তুলে ধরি।

আমি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তাকে সহযোগিতা করার জন্য নবাগত স্যারের সাথে যোগাযোগ করি এবং গতকাল নজরুল ইসলাম নজু ভাইকে সরাসরি বিষয়টি খুলে বলি।

তিনি আমাকে তাৎক্ষণিক আশ্বস্ত করেছিলেন আজকে সকালে সরজমিনে আসবেন। অবশেষে নজরুল ইসলাম নজু ভাই আজকে সকালে আসলেন এবং অসহায় রাশিদা বেগমের পাশে দাঁড়ালেন।

ইবাংলা বাএ

অগ্নিকাণ্ডেঅসহায়