স্লোগানে মুখর চারপাশ, সংবর্ধনাস্থলে তারেক রহমান

ইবাংলা.প্রেস | ইবাংলা ডেস্ক | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এ সময় স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ।বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে তিনি সেখানে পৌঁছান।

এর আগে, ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর তাকে বহনকারী উড়োজাহাজটি বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বেবিচকের মুখপাত্র কাওছার মাহমুদ অবতরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করেন।

এর আগে, যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে রওনা হয়ে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী উড়োজাহাজটি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে কিছু সময় যাত্রাবিরতি নিয়ে বেলা ১১টা ১২ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

তারেক রহমানকে বহনকারী বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। প্রায় ১৭ বছর পর তারেক রহমানের দেশে ফেরার এ যাত্রায় তার সঙ্গে আছেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

আরও পড়ুন…খুব কাছাকাছি পৌঁছেছেন তারেক রহমান গণসংবর্ধনাস্থলের

বিএনপি মিডিয়া সেলের অন্যতম সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমান লাল ও সবুজ রঙে সজ্জিত একটি বিশেষ বুলেটপ্রুফ বাসে করে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন।

বাসটিতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতিকৃতি এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান রয়েছে। পথে তিনি একটি সংবর্ধনা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

এ উপলক্ষে বিএনপি ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে, যা ৩০০ ফিট সড়ক নামে পরিচিত, সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানে তারেক রহমান দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাবেন, ধন্যবাদ জানাবেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করবেন। এরপর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। সেখান থেকে পরে তিনি গুলশান অ্যাভিনিউয়ে মা খালেদা জিয়ার বাসভবনে ফিরোজার পাশের ১৯৬ নম্বর বাসায় যাবেন।

২০০৭ সালে ১/১১ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তারেক রহমান গ্রেপ্তার হন। এক বছর কারাভোগের পর ২০০৮ সালে তিনি মুক্তি পান এবং চিকিৎসার জন্য স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে লন্ডনে যান। এরপর থেকে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা লন্ডনে নির্বাসিত জীবনযাপন করে আসছিলেন।

ইবাংলা বাএ

তারেকরহমানসংবর্ধনাস্থলে