নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালচক্রের তৎপরতায় সতর্ক থাকুন

রুবেল ভূইয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি সেবা বন্ধ—এমন মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে রোগীদের প্রাইভেট হাসপাতালে পাঠানোর একটি গুরুতর অভিযোগ উঠছে।

সম্প্রতি এক ভুক্তভোগী নিজেই এই ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হন। তিনি তার কাজিনকে নিয়ে সরকারি হাসপাতালে হার্টের ইসিজি করানোর উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। ডাক্তারের কক্ষ থেকে বের হওয়ার পর এক অচেনা নারী তাদের জানায়—হাসপাতালে ইসিজি করা বন্ধ রয়েছে।

তাছাড়া মেশিন নস্ট!বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তারা ইমারজেন্সি রুমে গিয়ে দায়িত্বরত কর্মীর কাছে খোঁজ নিলে জানা যায়, হাসপাতালে ইসিজি কার্যক্রম চালু রয়েছে। এরপর ওই নারীকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানা যায়, তিনি সরকারি হাসপাতালের কোনো স্টাফ নন।

বরং তিনি নবীনগরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘লাইফ কেয়ার হাসপাতাল’-এর সঙ্গে জড়িত এবং সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ধরে নিয়ে গিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে পাঠানোর দালালি কার্যক্রমে যুক্ত।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, এই দালালচক্রের তৎপরতা হাসপাতাল এলাকাতেই প্রকাশ্যে চলছে। এতে সাধারণ রোগী ও স্বজনরা বিভ্রান্ত হচ্ছেন এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি মানুষের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ভুক্তভোগী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্বাবধায়কের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ডা. মো. হাবিবুর রহমান বলেন,দ্রুত তদন্ত করে দালালচক্রের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া নেবো, যাতে সাধারণ মানুষ প্রতারণার শিকার না হয়।

সচেতন মহল মনে করছেন, সরকারি হাসপাতালে দালালচক্রের এমন অপতৎপরতা বন্ধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ইবাংলা বাএ

তৎপরতায়থাকুনসতর্ক