স্থানীয় সরকার নির্বাচন চলতি বছরের শেষে

ইবাংলা.প্রেস | ইবাংলা ডেস্ক | ০৫ মে ২০২৬

চলতি বছরের শেষ নাগাদ দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (৫ মে) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন আয়োজনের প্রাথমিক প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা অনুযায়ী বছরের শেষ দিকে ভোটগ্রহণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকারকে আরও শক্তিশালী এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ও তফসিল নিয়ে আলোচনা চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বলেন, ধাপে ধাপে নির্বাচন করতে ১০ মাস থেকে ১ বছর লেগে যাবে। উপজেলা পরিষদকে খাটো করা বা অক্ষম করার পরিকল্পনা সরকারের নেই।

সরকারের পক্ষ থেকে সময়মতো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত বা পরিস্থিতি নিয়ে এখনো উদ্বেগ আছে। যেকোনো সময় পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। তবে দেশে প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেল মজুত আছে।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানির ওপর চাপ কমাতে বিদ্যুৎচালিত বাস নামানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য এই বাস সার্ভিস চালু হবে। হাওর অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এককালীন ৭ হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।

আরও পড়ুন…পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের আলোচিত প্রার্থীরা কে কার কাছে হারলেন

এর আগে সংসদে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে দ্রুত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। ধাপে ধাপে অনুষ্ঠানে সব স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করতে ১০ মাস থেকে এক বছর সময়ের প্রয়োজন হয়।

নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে ভোটার তালিকা প্রস্তুত, ভোটের সামগ্রী সংগ্রহ, ধর্মীয় উৎসব, পাবলিক পরীক্ষা, আবহাওয়া, কেন্দ্র চূড়ান্তকরণ ও সংস্কার, নির্বাচনী কর্মকর্তা নির্বাচন ও প্রশিক্ষণ ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে তফসিল ঘোষণা করতে হয়। তফসিল ঘোষণার প্রাক্‌-প্রস্তুতি হিসেবে ন্যূনতম ৪৫ দিন প্রয়োজন হয়।

মন্ত্রী জানান, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের কোনো নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে না বলে নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্তমানে ইভিএমগুলো বিভিন্ন গোডাউন, বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ) ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বেজমেন্টে সংরক্ষিত রয়েছে।

ইবাংলা বাএ

নির্বাচনসরকারস্থানীয়