টিকটকের সাড়ে ২৬ লাখ ভিডিও অপসারণ

ডেস্ক রিপোর্ট

গত বছরের শুরু থেকে বিভিন্ন সময়ে সমাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে দেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার শিরোনাম হয়েছে টিকটক। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে চীনের ঝাং ইয়েমিংয়ের হাত ধরে সামাজিক বিনোদনমাধ্যম হিসেবে সারা দুনিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই মোবাইল অ্যাপটি।

Islami Bank

২০২০ সালেও বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড হওয়ায় আলোচনায় আসে টিকটক।এমনকি ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ ও বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপকে পেছনে ফেলেছিল ২০২০ সালে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড হয়েছে টিকটক অ্যাপ। ডিজিটাল বিশ্লেষণ নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান অ্যাপ অ্যানি দিয়েছে এমন তথ্য জানিয়েছিল।

বাংলাদেশেও এর জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। তবে ফের নতুন তথ্য প্রকাশ করল কমিউনিটি গাইডলাইনস এনফোর্সমেন্ট প্রতিবেদন।দেশের কমিউনিটি গাইডলাইন অমান্য করায় গত বছরের ১ অক্টোবর থেকে ৩০ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে প্রায় সাড়ে ২৬ লাখ ভিডিও অপসারণ করেছে টিকটক; যা অপসারণ করা ভিডিওতে বিশ্বের মধ্যে সপ্তম।

এদিতে আরও জানা যায়, গত বছরের ১ অক্টোবর থেকে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে বিশ্বজুড়ে সাড়ে ৮ কোটি ভিডিও মুছে ফেলেছে টিকটক।কমিউনিটি গাইডলাইন ভঙ্গ করার কারণে এই ভিডিওগুলোর ৯৪ দশমিক ১ শতাংশই পোস্ট করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

one pherma

তাদের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২১ সালে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক ভিডিও সরানো হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সহিংস চরমপন্থার জন্য ১৬.২ শতাংশ, হয়রানি এবং বুলিং কনটেন্ট সরানো হয়েছে ১৪.৭ শতাংশ, ঘৃণ্য আচরণের জন্য ১০.১ শতাংশ, এবং বিপজ্জনক কাজের জন্য ৭.৭ শতাংশ কনটেন্ট অপসারণ করেছে।

এ প্রসঙ্গে টিকটক এক বিবৃতিতে জানায়, ‘অ্যাপটি বিনোদন মাধ্যম হিসেবে বিশ্বে পরিচিত। সেভাবেই আমাদের নিয়মের সাথে সামঞ্জস্য রেখে মানুষকে ইতিবাচক ডিজিটাল সংযোগ তৈরিতে সহায়তার জন্যই তৈরী করা হয়েছে।

তবে প্রায়ই যখন আমাদের নিয়মের বাইরে ভিডিও আপলোড করা হচ্ছিল। তাই আমাদের এই ভিডিও অপসারণের সিদ্ধান্ত। টিকটক দিয়ে ভালো কিছু তৈরি হবে এটাই আমাদের সবার কাছে প্রত্যাশা।’

ইবাংলা/ জেএন / ২৫ এপ্রিল, ২০২২

Contact Us