পৈশাচিক সহিংসতার বিরুদ্ধে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ মিছিল

আলমগীর মানিক,রাঙামাটি

“লাশের উপর নৃত্য” এবং “পায়ের রগ কেটে হত্যা” এই বর্বর ও অমানবিক ঘটনার বিরুদ্ধে ‘নো টলারেন্স’ নীতি ঘোষনার দাবিতে বিভিন্ন সংঠনের ছাত্রনেতা ও সচেতন নাগরিকবৃন্দের ব্যানারে রাঙামাটি শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।বিক্ষোভ মিছিলটি বনরূপা বাজার থেকে শুরু হয়ে কোর্ট বিল্ডিং হয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন: “খুন, চাঁদাবাজি আর নয়!” সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই!” বর্বরতার বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ ঐক্যবদ্ধ।

Islami Bank

পরে সেখানে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্রনেতা ইমাম হোছাইন ইমু, কৃষি ইনস্টিটিউটের মোঃ জালাল উদ্দীন, রেড জুলাই সংগঠনের সাদিয়া ইসলাম সায়েদা, এনসিপির জাকির হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ওয়াহিদুজ্জামান রোমান, রাবিপ্রবির ছাত্রনেতা নুরুল আলম প্রমুখ।

উক্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, “আমরা আজ রাজপথে নেমেছি ন্যায়বিচারের দাবিতে। যারা নিরীহ মানুষকে খুন করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। পায়ের রগ কেটে হত্যা এটা কোনো সভ্য সমাজে কল্পনাও করা যায় না। বিচারহীনতার সংস্কৃতিই আজকের এই নৃশংসতার মূল কারণ।

আরও পড়ুন…তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরউদ্দিন সিভিল এভিয়েশনে নিয়ম ভেঙে দ্বৈত পদে বহাল

one pherma

আমরা এই চক্রের বিচারের দাবিতে নো টলারেন্স ঘোষণা করছি।” বক্তারা বলেন, “আমরা বারবার দেখেছি খুনিদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন করতে হয়। এটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। যদি রাষ্ট্র সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নিতো, তাহলে আজ এই পরিস্থিতি তৈরি হতো না। খুন, চাঁদাবাজি, ধর্ষণএসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ চুপ করে থাকবে না।

নারীর অধিকার, মানুষের অধিকার; সবই আজ প্রশ্নবিদ্ধ। যে রাষ্ট্রে খুনের বিচার হয় না, সেই রাষ্ট্রে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা থাকে না। আমাদের পক্ষ থেকে আমরা এই নৃশংসতার বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আন্দোলনের ঘোষণা দিচ্ছি। আমরা ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত থামব না।” দেশের মাটিতে এমন বর্বরতা আমাদের গর্বের জায়গাকে কলঙ্কিত করছে।

আমরা নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলছি—এই হত্যাকাণ্ডগুলোর সুষ্ঠু বিচার না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুশিয়ারি দিয়ে বক্তারা বলেন, “আমরা এই অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় প্রতিবাদ ছড়িয়ে দিতে চাই। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। ইন্টেরিয়ম সরকারের কাছে দাবি বিশেষ ক্ষমতায়নের মাধ্যমে যৌথবাহীকে চাঁদাবাজ দখলবাজদের জিরু টলারেন্স এ নিয়ে আসা। এই সকল হত্যাকাণ্ডের প্রতিটি অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় আনুন।

ইবাংলা বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us