প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন।
যেভাবে জানা যাবে ফলাফল:
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, শিক্ষার্থীরা এখন অনলাইন এবং মোবাইল এসএমএসের (SMS) মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারছে। অনলাইনে ফল দেখার অফিশিয়াল মাধ্যম হলো ‘আইপিইএমআইএস’ (IPEMIS) পোর্টাল। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে রোল নম্বর, জেলা ও উপজেলার তথ্য দিয়ে সহজেই ফলাফল দেখা যাবে।
আরও পড়ুন…সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে স্পিকারের শোক
এদিকে টেলিটকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে ফল জানতে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে DPE লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। (উদাহরণ: DPE 123456)।
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় সারা দেশের মোট ৬ লাখ ৪০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী প্রায় সাড়ে ৫ লাখ এবং বেসরকারি বিদ্যালয় থেকে অংশ নিয়েছিল প্রায় ৯০ হাজার শিক্ষার্থী।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার মোট ৮২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ‘ট্যালেন্টপুল’ বা মেধাবৃত্তি পেয়েছে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী। এই মেধাবৃত্তির মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের জন্য ২৭ হাজার ৫০০ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের জন্য ৫ হাজার ৫০০টি কোটা নির্ধারিত ছিল।
অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী। যার মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ৪১ হাজার ২৫০টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ৮ হাজার ২৫০টি বৃত্তি পেয়েছে।
বর্তমান বৃত্তির হার অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা প্রতি মাসে ৩০০ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা পাবে। অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা প্রতি মাসে ২২৫ টাকা ও বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা করে পাবে। এই বৃত্তির টাকা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ চালাতে সহায়তা করবে বলে সংবাদ সম্মেলনে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।


মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.