গ্যাংওয়ে তলিয়ে ফেরি চলাচল বন্ধ, ৩ নদীর পানি বিপদ সীমার উপরে প্রবাহিত

গোলাম কিবরিয়া বরগুনা :

তিন দিনের বিরামবিহীন টানা বর্ষনে উপকূলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে পানি বন্ধি হয়ে জেলার হাজার হাজার মানুষ। দু:খ আর কষ্টে দিন পার করছেন নিম্ন আদায়ের মানুষদ্বয়। অপরদিকে পায়রা,বিষখালী ও বলেশ্বর এ তিন নদীর পানি বিপদ সীমার ৩৬ সেন্টি মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

Islami Bank

ফলে দুইটি ফেরির গ্যাংওয়ে তলিয়ে যাওয়ায় বরগুনা-পুরাকাটা ও বরগুনা-বড়ইতলার সাথে ঢাকা- বরগুনা জেলা শহরের ফেরি যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। কখন এ ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে তাও বলতে পারছেন না সড়ক ও জনপদ বিভাগ।

আরও পড়ুন…ইবি তরুণ কলাম লেখক ফোরামের নেতৃত্বে ওয়ালি-আকাশ

বরগুনার পায়রা, বলেশ্বর ও বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে তলিয়ে গেছে জেলার দুই ফেরীঘাট, বরগুনা সদর,আমতলী,তালতলী,বেতাগী,বামনা ও পাথরঘাটা এ ছয়টি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। অপরদিকে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ। দু:খ আর কষ্টে দিন পার করছেন নিম্ন আদায়ের মানুষ।ভোগান্তিতে রয়েছেন সাধারন মানুষ।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য মতে, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার বিকেল আড়াইটা এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিরামবিহীন ২১ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের দিন ৪০ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে জেলায়। এখন বরগুনার প্রধান তিনটি নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে লোকালয় তলিয়ে গেছে । পানি নামতে পারছে না।

টানা বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে আমতলী-পুরাকাটা ও বরইতলা-বাইনচোটকি ফেরীর গ্যাংওয়ে। এতে সাধারনত মোটর বাইক গাড়ি নিয়ে পার হতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মানুষ। এদিকে, জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বরগুনা পৌর শহরের কলেজ রোড, ডিকেপি রোড, ফার্মেসি পট্টি, কসমেটিক্স পট্টি ও গার্মেন্টস পট্টির রাস্তা পানিতে তলিয়ে গেছে। প্লাবিত হয়েছে নিন্মাঞ্চল।

one pherma

আরও পড়ুন…চারটি মামলায় স্থায়ী জামিন পেয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বুলু

বড়ইতলা-বাইনচটকি রুটের কয়েকজন বাস চালক বলেন, জোয়ারের পানিতে ফেরীর গ্যাংওয়ে তলিয়ে গেছে। ঝুকি নিয়ে ফেরীতে উঠতে হয় আমাদের। এভাবে পারাপার চলতে থাকলে যেকোন সময় ঘটতে পারে ভয়াবহ দূর্ঘটনা।

হাসান, সবুজ, শিপন নামে কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক বলেন, আমরা কোম্পানিতে চাকরি করি। মালামাল নিয়ে প্রতিদিন আমতলী যেতে হয়। তবে পানিতে ডুবে থাকে ফেরীঘাট। পানিট মধ্যে দিয়েই আমাদের পাড়ে উঠতে হয়। মালামাল কাগজপত্র নষ্ট হয়ে যায়।

এ বিষয়ে বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: নূরুল ইসলাম বলেন, টানা বিরামহীন ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পায়ে নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বৃষ্টি না কমা পর্যন্ত প্রত্যেক জোয়ারে আরো নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইবাংলা/জেএন/১২আগস্ট,২০২২

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us