হারপিক বাংলাদেশের নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তিশা 

হারপিক বাংলাদেশের নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুক্ত হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। ব্যবসার প্রসার ঘটাতে হারপিকের সকল এ দেশীয় কার্যক্রমের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে ও বাংলাদেশে টয়লেট হাইজিন সচেতনতা বৃদ্ধিতে  কাজ করবেন এই অভিনেত্রী।

Islami Bank

সম্প্রতি রাজধানীর গুলশান-১ এ অবস্থিত রেকিট বেনকিজার (বাংলাদেশ) পিএলসির প্রধান কার্যালয়ে নুসরাত ইমরোজ তিশা ও হারপিকের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

আরও পড়ুন>> সাফ অনূর্ধ্ব-১৯: বাংলাদেশ-ভারতকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রেকিট বেনকিজারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ভিশাল গুপ্তা, মার্কেটিং ম্যানেজার সাবরিন মারুফ তিন্নি, সিনিয়র ব্র্যান্ড ম্যানেজার তাবাসসের আহমেদ ও এক্সটারনাল অ্যাফেয়ার্স ম্যানেজার মো. রাকিব উদ্দিন এবং হারপিক ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর নুসরাত ইমরোজ তিশা ও রেকিটের কর্মকর্তারা।

one pherma

এ বিষয়ে নুসরাত ইমরোজ তিশা বলেন, “হারপিক বিশ্বের একটি স্বনামধন্য ব্র্যান্ড। ছোটবেলা থেকেই দেখে এসেছি হারপিক আমাদের বাসা বাড়ির টয়লেটের একটি অবিচ্ছেদ্য পণ্য। আমি এই হারপিক পরিবারের সদস্য হতে পেরে অনেক আনন্দিত। আমি বিশ্বাস করি আমাদের এই যুগ পথচলা হারপিকের ব্যবসায় উন্নতি সাধন করবে এবং পাশাপাশি হারপিকের সকল সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজগুলোর মাধ্যমে মানুষ আরও উপকৃত হবে।’

অনুষ্ঠানে রেকিটের মার্কেটিং ম্যানেজার সাবরিন মারুফ তিন্নি বলেন, হারপিক বাংলাদেশে বেশ সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। আমাদের এই পথচলায় তিশাকে পেয়ে আমরা আনন্দিত। অনেক বছর পর হারপিক পরিবারে বাংলাদেশি কোন অ্যাম্বাসেডর যুক্ত হলো। পাশাপাশি এই প্রথম কোন নারী মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হারপিকের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন।’

প্রসঙ্গত, হারপিক টয়লেট ক্লিনারের মার্কার নাম। এটি যুক্তরাজ্যে ১৯৩২ সালে রেকিট অ্যান্ড সন্স (বর্তমানে রেকিট) দ্বারা চালু হয়। আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া, এশিয়া-প্যাসিফিক, ইউরোপ, আমেরিকাসহ পৃথিবী জুড়ে এটি পাওয়া যায়। ১৯৭৮ সাল থেকে, হারপিক বাংলাদেশে টয়লেট-ক্লিনারের এক নম্বর ব্র্যান্ড।

ইবাংলা/এসআরএস

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us