৩০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাচ্চুসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ইবাংলা.প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক | ৪ আগস্ট ২০২৫

বেসিক ব্যাংক লিমিটেডে ৩০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বাচ্চুসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করেছে। মামলাটি রুজু হয় ৩১ জুলাই ২০২৫, ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ।

Islami Bank

মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা প্রতারণা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অসদাচরণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

অভিযুক্তদের তালিকা:
১. শেখ আব্দুল হাই বাচ্চু
২. শুভাশিষ বোস
৩. শ্যাম সুন্দর সিকদার
৪. নিলুফার আহমেদ
৫. কামরুন নাহার আহমেদ
৬. এ কে এম রেজাউর রহমান
৭. এ কে এম কামরুল ইসলাম
৮. আনোয়ারুল ইসলাম
৯. আনিস আহমেদ
১০. কাজী ফখরুল ইসলাম
১১. শাহ আলম ভুঞা
১২. শিপার আহমেদ
১৩. ওমর ফারুক
১৪. এস এম আহিদ হাসান
১৫. মো. মাসুদ রানা
১৬. সাহিদা আক্তার শিমু
১৭. কামাল হোসেন সেলিম

২০১৩ সালের মার্চে মাসুদ রানা ‘মেসার্স ফোর এস স্টিল’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য বেসিক ব্যাংকের গুলশান শাখায় অ্যাকাউন্ট খোলেন। তিন দিনের মাথায় ৫০ কোটি টাকা ঋণের আবেদন করেন তিনি। ক্রেডিট কমিটির নেতিবাচক মতামতের পরেও শাখা ব্যবস্থাপক প্রস্তাবটি প্রধান কার্যালয়ে পাঠান।

আরও পড়ুন…৩০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাচ্চুসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

one pherma

প্রধান কার্যালয় থেকে ঋণ প্রস্তাবের দুর্বলতা তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট শাখায় চিঠি পাঠানো হয়। তবে তা উপেক্ষা করে ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। দুদকের মতে, ঋণ বিতরণের পুরো প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি, দুর্নীতি এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত ছিল।

আসামিরা পরস্পরের সহযোগিতায় রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের ৩০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। প্রতারণা, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে এই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়।

দুদক জানিয়েছে, প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে স্পষ্ট হয়েছে যে, আসামিরা দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। মামলা রুজুর মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। অনুসন্ধান শেষে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণসহ চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে দুদক।

ইবাংলা বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us