৭৫ লাখ ও ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ: ব্যাংক কর্মকর্তাসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের দুটি মামলা
ইবাংলা.প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭ আগষ্ট ২০২৫
অসৎ উদ্দেশ্যে ভুয়া কাগজপত্র ও পরিচয়পত্র ব্যবহার করে দুই ব্যাংক থেকে বিপুল অঙ্কের ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগে ব্যবসায়ীসহ ব্যাংকের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ থেকে ৬ আগস্ট ২০২৫ তারিখে মামলা দুটি দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয়।
মামলা ১: ৭৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ, তিনজন আসামি
মামলা নং: ০৫/২০২৫
আসামি:
১. সাইফুল কবির — প্রোপ্রাইটর, খন্দকার ট্রেডিং কর্পোরেশন, STV বাংলা ও পন্থা ইলেকট্রনিক্স ইন্ডাস্ট্রিজ।
২. মোঃ মোজাম্মেল হক — সাবেক ম্যানেজার, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, সাতমসজিদ রোড শাখা (বর্তমানে ডিজিএম)।
৩. মোঃ হাসান উল মামুন — সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (SPO), উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড।
অভিযোগ:
উল্লিখিত আসামিরা যোগসাজশে বাংলাদেশ উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, সাতমসজিদ রোড শাখা থেকে ৭৫ লাখ টাকা ঋণ তুলে আত্মসাৎ করেন। মর্টগেজকৃত সম্পত্তির মূল দলিল না দিয়েই শুধুমাত্র সার্টিফায়েড কপির মাধ্যমে ঋণ উত্তোলন করা হয়। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভুয়া তথ্য এবং জাল জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে প্রতারণা চালানো হয়।
আরও পড়ুন…৭৫ লাখ ও ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ: ব্যাংক কর্মকর্তাসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের দুটি মামলা
আইনানুগ ধারা:
বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের।
মামলা ২: ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, চারজন আসামি
আসামি:
১. সাইফুল কবির — পূর্বোক্ত ঠিকানার পাশাপাশি জড়িত আরও একটি প্রতিষ্ঠানের নামে।
২. মোঃ হাসান ফারুক — সাবেক এফএভিপি, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড, দিলকুশা শাখা (বর্তমানে শাখা ব্যবস্থাপক, গাজীপুর)।
৩. মোঃ রাজিব দরজি — সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড, দিলকুশা শাখা।
৪. মুহাম্মাদ রেজাউল হক রেয়া — সাবেক এক্সিকিউটিভ অফিসার, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড।
অভিযোগ:
সংশ্লিষ্ট আসামিরা প্রতারণামূলকভাবে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড, দিলকুশা শাখা থেকে দুটি ভিন্ন ঋণ স্কিম (সিসি হাইপো ও এলটিআর) এর আওতায় মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৩ টাকা আত্মসাৎ করেন। মিথ্যা মালিকানা, জাল কাগজপত্র এবং অপর ব্যাংকে বন্ধক রাখা সম্পত্তি গোপন রেখে এই ঋণ উত্তোলন করা হয়।
আইনানুগ ধারা:
বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় নিয়মিত মামলা রুজুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.