দুদকের দুই বড় মামলা রুজু – কর্ণফুলী টানেল ও নৌপরিবহন অধিদপ্তর সংক্রান্ত
ইবাংলা.প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৮ আগস্ট ২০২৫
১ কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পে দুর্নীতি:
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ প্রকল্পে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে মামলা রুজু করেছে। অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত আছেন:জনাব ওবায়দুল কাদের, সাবেক মন্ত্রী, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক সচিব/নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষজনাব কবির আহমদ, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষজনাব আলীম উদ্দিন আহমেদ, সাবেক পরিচালক/যুগ্ম সচিব, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ
দুদক অভিযোগ করে যে, তারা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসদাচরণের মাধ্যমে সরকারের ৫৯.৮০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৫৮৫ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা) ক্ষতিসাধন করেছেন।
আরও পড়ুন…ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা, প্রাধান্য পেয়েছে ২৪ বিষয়
এছাড়া ৫৫,২১,১৮৬ টাকা ব্যয়ে অবৈধ নিয়োগের মাধ্যমে সরকারি ক্ষতি করেছেন। মামলাটি দন্ডবিধি ১২০বি/৪০৯/১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা অনুযায়ী রুজু করা হয়েছে।
২ নৌপরিবহন অধিদপ্তরের দুর্নীতি:
ক্যাপ্টেন মোঃ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, প্রাক্তন নটিক্যাল সার্ভেয়ার এন্ড এক্সামিনার ও চীফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার, নৌপরিবহন অধিদপ্তর, সরকারি সম্পদ বিবরণীতে ২৯,৩৩,৮২২ টাকা সম্পদ গোপন করেছেন। এছাড়া দায়িত্বশীল পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার ও ঘুষের মাধ্যমে ৪,৭৪,৭১,১৯৭ টাকা জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন।
দুদক এই অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা রুজুর অনুমোদন দিয়েছে।
সম্পদের তথ্য (ক্যাপ্টেন মোঃ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ):
নীট সম্পদের মূল্য: ৭,৩৩,৮১,৪০৭/-
গোপনকৃত মূল্য: ২৯,৩০,৮২২/-
গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ: ২,৫৯,১০,২১০/-
জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ: ৪,৭৪,৭১,১৯৭/- (৬৮%)


মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.