“বিএনপি-জামাতের প্রভাব, ডাকসু উত্তেজনা”

ইবাংলা.প্রেস ঢাবি প্রতিবেদক ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপি ও জামায়াতের সক্রিয় উপস্থিতি শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রের আশপাশে তাদের সমর্থকদের ভিড় ও অবস্থান অনেকের কাছে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের ইঙ্গিত হিসেবে ধরা পড়েছে।

Islami Bank

আরও পড়ুন…ডাকসু নির্বাচনের ভোটগণনা চলছে, ফল আসবে রাতেই

নির্বাচনের দিন (৯ সেপ্টেম্বর) শাহবাগ, হাইকোর্ট মোড়, চানখারপুল, পলাশী মোড়, নীলক্ষেত মোড় এবং নিউমার্কেট এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তারা সরাসরি ভোটে অংশগ্রহণ না করলেও ছোট ছোট দলে অবস্থান নিয়ে নিজেদের দলের অবস্থান জানাচ্ছিলেন। শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদ মনসুর জানান, “ডাকসু নির্বাচন ঘিরে চারপাশে প্রচুর ভিড় রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনও ধরনের নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি দেখা যায়নি। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখছি।”

এদিকে, বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদের ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদের অভিযোগ করেন, “নির্বাচনের সময় বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের সক্রিয়তা স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। তারা ভাগ-বাটোয়ারার মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। শিক্ষার্থীরা স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভোট আশা করেছিল।”

one pherma

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ডাকসু নির্বাচন শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয় নয়, এটি দেশের রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে বিএনপি ও জামাতের মধ্যে সমন্বয় ও পরিকল্পিত অংশগ্রহণ শিক্ষার্থী সংগঠনগুলোতে তাদের প্রভাব বাড়াতে সহায়ক হবে। নির্বাচনের ফলাফলের প্রভাব ভবিষ্যতে রাজনৈতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রূপে দেখা যেতে পারে।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া একজন শিক্ষার্থী বলেন, “নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে। তবে রাজনৈতিক দলের সক্রিয় উপস্থিতি আমাদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের স্বতন্ত্র মত অনুযায়ী ভোট দিতে পারবে।”

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছেন, শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করার জন্য নিরাপত্তা জোরদার করেছে। তারা সতর্ক করেছে, রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও সহনশীল ও সংহতির মধ্যে আচরণ করা অপরিহার্য।
ইবাংলা.প্রেস/ বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us