দুদকের তিন অভিযানে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ

ইবাংলা.প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এনফোর্সমেন্ট ইউনিট আজ রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকাসহ কুমিল্লা ও যশোরে পৃথক তিনটি অভিযানে অংশ নেয়। এসব অভিযানে বিভিন্ন অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ, অর্থ আত্মসাৎ ও স্বাস্থ্যসেবায় হয়রানির প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে।

Islami Bank

অভিযান ০১: একনেক শাখায় প্রকল্পে অনিয়ম

পরিকল্পনা কমিশনের একনেক শাখার কিছু অসৎ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে তারা ঘুষ ও উপঢৌকন গ্রহণের মাধ্যমে সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনকোমেন্ট প্রোগ্রাম (সেসিপ) প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাৎ ও অপচয়ের সুযোগ তৈরি করেছেন।

দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পরিচালিত অভিযানে টিম প্রকল্প কার্যালয় পরিদর্শন করে এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহ করে। টিম জানিয়েছে, সব রেকর্ডপত্র যাচাই শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশনে জমা দেওয়া হবে।

অভিযান ০২: কুমিল্লায় সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অনিয়ম

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুমিল্লা একটি অভিযান পরিচালনা করে।

one pherma

আরও পড়ুন…রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় ভূমিকম্পের অনুভূতি

অভিযানকালে ছদ্মবেশে সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলে দুদক টিম জানতে পারে, দলিল লেখকরা দলিল সম্পাদনে সরকার নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করছেন। বিষয়টি যাচাই করে সাব-রেজিস্ট্রারসহ সংশ্লিষ্ট দলিল লেখকদের সতর্ক করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে, যা পর্যালোচনা শেষে কমিশনের কাছে প্রতিবেদন আকারে জমা দেওয়া হবে।

অভিযান ০৩: যশোর জেনারেল হাসপাতালে অনিয়ম

যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ওষুধ চুরি, চিকিৎসাসেবায় হয়রানি ও অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় যশোর একটি অভিযান চালায়।

অভিযানে দেখা যায়, রোগীদের সরবরাহকৃত খাবারের মান নিম্নমানের, ওজনও পথ্য তালিকার তুলনায় কম। ডায়রিয়া ইউনিটে স্যালাইন মজুদ থাকলেও রোগীদের বাইরে থেকে স্যালাইন কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে।

অভিযানকালে টিম হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক দপ্তর থেকে রেকর্ড সংগ্রহ করে এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য গ্রহণ করে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে দুদক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ইবাংলা বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us