সমবায় ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ইবাংলা.প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৩ অক্টোবর ২০২৫

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ কর্তৃক বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের (দক্ষিণ) যুগ্ম সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ মহি-এর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Islami Bank

দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় মামলাটি (মামলা নং: ১১, তারিখ: ১৬/১০/২০২৪ খ্রি., নথি নং: ০০.০১.০০০০.৫০২.০২.০২৩.২৪) রুজু করেন।

তদন্ত শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম দাখিলকৃত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন (Sanction) প্রদান করা হয়।

তদন্তে দেখা যায়, আসামি মহিউদ্দিন আহমেদ মহি দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ৪৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬৫ টাকা গোপন করেছেন এবং অসৎ উপায়ে উপার্জিত অর্থ দ্বারা ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৪০ হাজার ৫২৯ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও দখলে রেখেছেন।

আরও পড়ুন…নবীনগরে তারুণ্যের উৎসবে কৃষি বিভাগের উদ্যোগে বীজ বিতরণ

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়—

one pherma

স্থাবর সম্পদ: ঘোষিত মূল্য ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৩২ টাকা, যাচাইকৃত মূল্য ২ কোটি ৪২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৯৭ টাকা, পার্থক্য ৪৫ লাখ ৫১ হাজার ৫৬৫ টাকা।

অস্থাবর সম্পদ: ঘোষিত মূল্য ২ কোটি ০০ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ টাকা, যাচাইকৃত মূল্য ২ কোটি ৭০ লাখ ১৮ হাজার ৫১৬ টাকা।

মোট সম্পদ: ঘোষিত ৩ কোটি ৯৭ লাখ ৭৯ হাজার ৩৩৩ টাকা, যাচাইকৃত ৫ কোটি ১২ লাখ ৫৩ হাজার ২১৩ টাকা।

তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, আসামির নীট সম্পদের পরিমাণ ৪ কোটি ৯৭ লাখ ৫৩ হাজার ২১৩ টাকা, পারিবারিক ব্যয়সহ মোট সম্পদ ১০ কোটি ২১ লাখ ৪ হাজার ৬৭৩ টাকা, যেখানে তার গ্রহণযোগ্য আয় মাত্র ৬ কোটি ৬৫ লাখ ৬৪ হাজার ১৪৯ টাকা। ফলে ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৪০ হাজার ৫২৯ টাকা (মোট সম্পদের ৩৪.৮০%) জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত বলে দুদক শনাক্ত করেছে।

দুদক সূত্র জানায়, বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপালনের সময় মহিউদ্দিন আহমেদ মহি বিভিন্ন দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন এবং ব্যবসার ছদ্মাবরণে সেই অর্থ বৈধ করার চেষ্টা করেন।দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ইবাংলা বাএ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.

Contact Us